Saturday, June 30, 2018
Hi
https://tu3ph.app.goo.gl/?ad=0&apn=com.koushikdutta.inkwire&link=https%3A%2F%2Finkwire.io%2Fshare%23621096870756
মানব জীবনে বিবাহের গুরুত্ব
মানব জীবনে বিবাহের গুরুত্ব।
সুলতান আহমদ............
মানব জীবনে বিবাহের গুরুত্ব অসীম।বিবাহ হচ্ছে আমাদের পেয়ারে নবী (সঃ)এর একটি গুরুত্ব পুর্ণ সুন্নত।
হাদীস শরীফে নবীয়ে কারীম (সঃ)ইরশাদ করেছেন,যে ব্যক্তি বিবাহের ক্ষমতা রাখে অথচ বিবাহ করেনা সে আমার তরিকায় নেই।
আরেক হাদীসে নবীয়ে করীম(সঃ)ইরশাদ করেছেন, বিবাহ ঈমানের পূর্ণতা আনয়ন করে।
অন্ন হাদীসে এসেছে তোমরা স্বামী স্ত্রী একে অপরের অলংকার স্বরূপ।
বিবাহ সম্পর্কে পবিত্র ক্বোরআনে আল্লাহ পাক বলেছেন। নারী পুরুষের জন্যে পোশাক,পুরুষ নারীদের জন্যে পুশাক।
মহান আল্লাহ পাক আরো ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ পাকের অপার কুদরতের একটি নিদর্শন হল তিনি তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের জন্য সাথী সৃষ্টি করেছেন। যাতে তোমরা তাদের নিকট শান্তি স্ততি লাভ কর।
আর তিনি তোমাদের মাঝে প্রেম প্রীতি ও ভালবাসা দান করেন।নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্য নিদর্শন রয়েছে।(সুরাহ রুম-১১)
এই আয়াত ও হাদীস দ্বারা বুঝা যায় ইসলামে বিবাহের গুরুত্ব কতটুকু।
বিবাহের দ্বারা স্বামী স্ত্রীর মধ্যে যে প্রেম ভালবাসা সৃষ্টি হয় তা আল্লাহর রহমত স্বরূপ। তা কোন অপরাধ নয় বরং এই ভালবাসা হল অধিকার। মনের শুদ্ধতা পবিত্রতা ও মানবিক।
নবীজী (সঃ)বলেন আল্লাহ তায়ালা স্বামী স্ত্রীর সুখ সম্ভোগ ও হাসি -তামাসা দেখে খুশী হন এবং এ কার্যের জন্য তাদের আমল নামায় ছাওয়াব লিখেন।আর তাদের হালাল রিযিকের ব্যবস্থা করেন। (কানজুল উম্মাল)
স্বামী-স্ত্রীর প্রেম ভালবাসা পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতা প্রতিষ্ঠা করে। আর এই ভালবাসা সংসার সুখের করে তুলে।পারিবারিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করে।এর প্রাপ্তিতে মন আনন্দিত থাকে।
বিবাহের অনেক ফযিলত ও আছে।
নবী করীম(সঃ) বলেন,বান্দা যখন বিয়ে করল সে তার অর্ধেক দ্বীন পূরণ করল।
অন্ন হাদীসে নবী (সঃ)বলেছেন, কোন স্বামী যখন তার স্ত্রীর দিকে লক্ষ্য করে,স্ত্রী তার স্বামীর দিকে তাকায় তখন আল্লাহ তায়ালা তাদের দিকে রহমতের দৃষ্টিতে তাকান।আর স্বামী যখন তার স্ত্রীর হাত ধরে তখন উভয়ের পাপ সমূহ তাদের আঙুলীর ফাক দিয়ে ঝরে পড়ে।স্বামী স্ত্রীর মধ্যে আল্লাহ পাক এমন গভীর প্রেম ভালবাসা সৃষ্টি করে দেন যে একে অপরের জন্য জীবন বিসর্জন দিতে প্রস্তুত হয়ে যায়।বিবাহ পরবর্তী ভালবাসা হচ্ছে হৃদয়ের সাথে হৃদয়ের বসবাস।এই ভালবাসা চিরস্থায়ী সম্পদ। তাইতো ইসলামে স্বামী স্ত্রীর বৈধ মিলনে উৎসাহিত করেছে।স্বামী স্ত্রীর সোহাগ-সম্ভোগ, প্রেম ভালবাসা ও মিলন দ্বারাও সওয়াব লাভ করে বলে হাদীসে রয়েছে।পাশাপাশি ইসলাম স্বামী স্ত্রী ছাড়া অন্য সকলের মিলন সম্ভোগকে হারাম ঘোষণা করেছে।এভাবে ইসলামের প্রত্যেকটি নিয়ম বিধানের মধ্যে মানুষের উপকার ও কল্যাণ নিহিত রয়েছে।
এতঃএব,যুব সমাজের প্রতি নিবেদন এই যে প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পর অযথা সময় না কাটিয়ে পবিত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার মাধ্যমে,অন্যায়-অনাচার মুক্ত সমাজ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখুন।তারপর স্বামী স্ত্রীর বৈধ ভালবাসার মাধ্যমে গড়ে তুলুন একটি সুন্দর সমাজ। আল্লাহ পাক আমাদেরকে দ্বীনের সহিহ বুঝ দান করুন
সুলতান আহমদ............
মানব জীবনে বিবাহের গুরুত্ব অসীম।বিবাহ হচ্ছে আমাদের পেয়ারে নবী (সঃ)এর একটি গুরুত্ব পুর্ণ সুন্নত।
হাদীস শরীফে নবীয়ে কারীম (সঃ)ইরশাদ করেছেন,যে ব্যক্তি বিবাহের ক্ষমতা রাখে অথচ বিবাহ করেনা সে আমার তরিকায় নেই।
আরেক হাদীসে নবীয়ে করীম(সঃ)ইরশাদ করেছেন, বিবাহ ঈমানের পূর্ণতা আনয়ন করে।
অন্ন হাদীসে এসেছে তোমরা স্বামী স্ত্রী একে অপরের অলংকার স্বরূপ।
বিবাহ সম্পর্কে পবিত্র ক্বোরআনে আল্লাহ পাক বলেছেন। নারী পুরুষের জন্যে পোশাক,পুরুষ নারীদের জন্যে পুশাক।
মহান আল্লাহ পাক আরো ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ পাকের অপার কুদরতের একটি নিদর্শন হল তিনি তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের জন্য সাথী সৃষ্টি করেছেন। যাতে তোমরা তাদের নিকট শান্তি স্ততি লাভ কর।
আর তিনি তোমাদের মাঝে প্রেম প্রীতি ও ভালবাসা দান করেন।নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্য নিদর্শন রয়েছে।(সুরাহ রুম-১১)
এই আয়াত ও হাদীস দ্বারা বুঝা যায় ইসলামে বিবাহের গুরুত্ব কতটুকু।
বিবাহের দ্বারা স্বামী স্ত্রীর মধ্যে যে প্রেম ভালবাসা সৃষ্টি হয় তা আল্লাহর রহমত স্বরূপ। তা কোন অপরাধ নয় বরং এই ভালবাসা হল অধিকার। মনের শুদ্ধতা পবিত্রতা ও মানবিক।
নবীজী (সঃ)বলেন আল্লাহ তায়ালা স্বামী স্ত্রীর সুখ সম্ভোগ ও হাসি -তামাসা দেখে খুশী হন এবং এ কার্যের জন্য তাদের আমল নামায় ছাওয়াব লিখেন।আর তাদের হালাল রিযিকের ব্যবস্থা করেন। (কানজুল উম্মাল)
স্বামী-স্ত্রীর প্রেম ভালবাসা পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতা প্রতিষ্ঠা করে। আর এই ভালবাসা সংসার সুখের করে তুলে।পারিবারিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করে।এর প্রাপ্তিতে মন আনন্দিত থাকে।
বিবাহের অনেক ফযিলত ও আছে।
নবী করীম(সঃ) বলেন,বান্দা যখন বিয়ে করল সে তার অর্ধেক দ্বীন পূরণ করল।
অন্ন হাদীসে নবী (সঃ)বলেছেন, কোন স্বামী যখন তার স্ত্রীর দিকে লক্ষ্য করে,স্ত্রী তার স্বামীর দিকে তাকায় তখন আল্লাহ তায়ালা তাদের দিকে রহমতের দৃষ্টিতে তাকান।আর স্বামী যখন তার স্ত্রীর হাত ধরে তখন উভয়ের পাপ সমূহ তাদের আঙুলীর ফাক দিয়ে ঝরে পড়ে।স্বামী স্ত্রীর মধ্যে আল্লাহ পাক এমন গভীর প্রেম ভালবাসা সৃষ্টি করে দেন যে একে অপরের জন্য জীবন বিসর্জন দিতে প্রস্তুত হয়ে যায়।বিবাহ পরবর্তী ভালবাসা হচ্ছে হৃদয়ের সাথে হৃদয়ের বসবাস।এই ভালবাসা চিরস্থায়ী সম্পদ। তাইতো ইসলামে স্বামী স্ত্রীর বৈধ মিলনে উৎসাহিত করেছে।স্বামী স্ত্রীর সোহাগ-সম্ভোগ, প্রেম ভালবাসা ও মিলন দ্বারাও সওয়াব লাভ করে বলে হাদীসে রয়েছে।পাশাপাশি ইসলাম স্বামী স্ত্রী ছাড়া অন্য সকলের মিলন সম্ভোগকে হারাম ঘোষণা করেছে।এভাবে ইসলামের প্রত্যেকটি নিয়ম বিধানের মধ্যে মানুষের উপকার ও কল্যাণ নিহিত রয়েছে।
এতঃএব,যুব সমাজের প্রতি নিবেদন এই যে প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পর অযথা সময় না কাটিয়ে পবিত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার মাধ্যমে,অন্যায়-অনাচার মুক্ত সমাজ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখুন।তারপর স্বামী স্ত্রীর বৈধ ভালবাসার মাধ্যমে গড়ে তুলুন একটি সুন্দর সমাজ। আল্লাহ পাক আমাদেরকে দ্বীনের সহিহ বুঝ দান করুন
আসলেই কি প্রবাসীদের নিয়ে কঠুক্তি
আল্লামা জুনায়েদ আল -হাবীব আসলেই কি সকল প্রবাসীদের নিয়ে কঠুক্তি করেছেন???
---------------------------------------------------------------
বিষয়টা এখন ফেইসবুকে ভাইরাল হয়ে দাড়িয়েছে।কথিত একদল মেকি প্রবাসী প্রেমিক একজন আলেম দ্বীনের নামে কোমরে কাপড় বেঁধেছে।
কিন্তু বাস্তব কথা হলো যে,মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব সকল প্রবাসীদের নিয়ে কোন কঠুক্তি করেন নি,করার প্রশ্নই উঠেনা।
তবে হ্যাঁ,কিছু প্রবাসীদে বেয়াদবী,জেহালতি ও আনাড়িপনা তুলে ধরেছেন।প্রবাসী হলেই যে কেউ দুধে ধোয়া তুলসি পাতা হয়ে যায় তাতো নয়?
প্রবাসে তো আমরাও থাকি,তো কি হয়েছে?
আমি ভুল করলে,অন্যায় করলে কি আমার প্রতিবাদ কেউ করবেনা না?
কিছু কিছু প্রবাসীদের বদ খাসলত আমিও তুলে ধরব যা জুনায়েদ আল হাবীব বলেছেন---
১,প্রবাসে যাওয়ার আগের পনের বিশ বছর কোন আলেমের কাছে গিয়ে কোনদিন কিভাবে ওযু শুদ্ধ করে করতে হয়, ওযু নামাজ নষ্টের কারন কয়টি তা শিখার প্রয়োজন মনে করেনি,বিদেশ থেকে এসে মসজিদের ইমাম, মাদরাসার মাওলানাদের ভুল ধরে।
২,মাঝে মধ্যে মসজিদে গিয়ে দু পায়ের মাঝখানে এক কিলোমিটার জায়গা ফাঁক করে দাঁড়ায়,চিল্লাইয়া আমীন বলে নামাজে বিশৃংখলা করে।আর নামাজ শেষে বলে আমাদের দেশের মোল্লারা নাকি সহীহ হাদীস জানে না
৩,তাইতো মাওলানা হাবীব ঠিকই বলেছেন,আলেম উলামারা সারাজীবন কুরআন সুন্নাহের শিক্ষা দীক্ষা করে সহীহ হাদীস জানলনা,আর ওরা বিদেশে গিয়ে মালি ঢুলির কাজ করে সহীহ হাদীস কোথায় পাইল?
প্রবাসী যে আলেমের কাছ থেকে জীবনের প্রথম মুসলমানি শিক্ষা পাইল সে আলেম,ইমামের বিরুধিতা করলে,কঠু কথা বললে কারো গায়ে লাগে না!!
আবার আলেম প্রবাসীর ভুল ধরলে কঠুক্তি হয়ে যায়? আজব! বড়ই আজব!।
---------------------------------------------------------------
বিষয়টা এখন ফেইসবুকে ভাইরাল হয়ে দাড়িয়েছে।কথিত একদল মেকি প্রবাসী প্রেমিক একজন আলেম দ্বীনের নামে কোমরে কাপড় বেঁধেছে।
কিন্তু বাস্তব কথা হলো যে,মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব সকল প্রবাসীদের নিয়ে কোন কঠুক্তি করেন নি,করার প্রশ্নই উঠেনা।
তবে হ্যাঁ,কিছু প্রবাসীদে বেয়াদবী,জেহালতি ও আনাড়িপনা তুলে ধরেছেন।প্রবাসী হলেই যে কেউ দুধে ধোয়া তুলসি পাতা হয়ে যায় তাতো নয়?
প্রবাসে তো আমরাও থাকি,তো কি হয়েছে?
আমি ভুল করলে,অন্যায় করলে কি আমার প্রতিবাদ কেউ করবেনা না?
কিছু কিছু প্রবাসীদের বদ খাসলত আমিও তুলে ধরব যা জুনায়েদ আল হাবীব বলেছেন---
১,প্রবাসে যাওয়ার আগের পনের বিশ বছর কোন আলেমের কাছে গিয়ে কোনদিন কিভাবে ওযু শুদ্ধ করে করতে হয়, ওযু নামাজ নষ্টের কারন কয়টি তা শিখার প্রয়োজন মনে করেনি,বিদেশ থেকে এসে মসজিদের ইমাম, মাদরাসার মাওলানাদের ভুল ধরে।
২,মাঝে মধ্যে মসজিদে গিয়ে দু পায়ের মাঝখানে এক কিলোমিটার জায়গা ফাঁক করে দাঁড়ায়,চিল্লাইয়া আমীন বলে নামাজে বিশৃংখলা করে।আর নামাজ শেষে বলে আমাদের দেশের মোল্লারা নাকি সহীহ হাদীস জানে না
৩,তাইতো মাওলানা হাবীব ঠিকই বলেছেন,আলেম উলামারা সারাজীবন কুরআন সুন্নাহের শিক্ষা দীক্ষা করে সহীহ হাদীস জানলনা,আর ওরা বিদেশে গিয়ে মালি ঢুলির কাজ করে সহীহ হাদীস কোথায় পাইল?
প্রবাসী যে আলেমের কাছ থেকে জীবনের প্রথম মুসলমানি শিক্ষা পাইল সে আলেম,ইমামের বিরুধিতা করলে,কঠু কথা বললে কারো গায়ে লাগে না!!
আবার আলেম প্রবাসীর ভুল ধরলে কঠুক্তি হয়ে যায়? আজব! বড়ই আজব!।
Friday, June 29, 2018
তুমি 2018 তেও হারাতে চাও না যাকে।
মোঃ তৌয়য়ব রহমান.........

এই ম্যাসেজ শুধু তাদের পাঠাবে যাকে তুমি 2018 তেও হারাতে
চাও না।
আমাকেও পাঠাতে পারো যদি তোমাকে আমার প্রয়োজন হয়, তবে।
এই ম্যাসেজ বলে দিতে পারবে যে কে তোমাকে সাথে রাখতে চায়...... আর কে তোমাকে সাথে রাখতে চায় না।
যদি দেখো সতের টি reply আসে তাহলে তুমি ই লাকি.....!
ALL
THE BEST এই SMS তোমার life এর sweet & real friends দের send করো.. আমাকেও send back করতে পার যদি আমাকে sweet n real friend ভাব.... O,,,,,
যদি 8 SMS তোমার কাছে ফিরে আসে তাহলে বুঝবে .. তুমি খুব lucky.
এই sms টা মনোযোগ দিয়ে পড়ো।
→তিনটি জিনিসের উপর ভরসা করা ঠিক নয়,,
১. নদীর পাড়ের বাড়ি
২. ব্রেক ছাড়া গাড়ি
৩. পর্দা ছাড়া নারী।
→তিনটি জিনিস একবার আসেঃ,,,
(১) মাতা-পিতা
(২) সৌন্দর্য্য
(৩) যৌবন।
→তিনটি জিনিস ফিরিয়ে আনা যায়নাঃ,,
(১) বন্দুকের গুলি
(২) কথা
(৩) রূহ।
→তিনটি জিনিস মৃত্যুর পর উপকারে আসেঃ,,
(১) সু-সন্তান
(২) সদকা
(৩) ইলম।
→তিনটি জিনিস সম্মান নষ্ট করেঃ,,
(১) চুরি
(২) চোগলখুরী
(৩) মিথ্যা।
→তিনটি জিনিস পেরেশানিতে রাখেঃ,,
(১) হিংসা
(২) অভাব
(৩) সন্দেহ।
→তিনটি জিনিসকে সর্বদা মনে রেখঃ?
(১) উপদেশ
(২) উপকার
(৩) মৃত্যু।
→তিনটি জিনিস কে আয়ত্বে রেখঃ?
(১) রাগ
(২) জিহবা
(৩) অন্তর।
→তিনটি জিনিস অভ্যাস করঃ?
(১) নামাজ
(২) সত্য বলা
(৩) হালাল রিযিক।
→তিনটি জিনিস থেকে দূরে থেকো?
(১) মিথ্যা
(২) অহংকার
(৩) অভিশাপ।
→তিনটি জিনিসের জন্য যুদ্ধ করঃ?
(১) দেশ
(২) জাতি
(৩) সত্য।
→তিনটি জিনিসকে চিন্তা করে ব্যবহার করঃ?
(১) কলম
(২) কসম
(৩) কদম
 এই sms টা হৃদয় থেকে
Forward কোরো,,,।
যারা তোমার কাছে খুব মধুর প্রিয়। 
   
আজ প্রিয়জনদের দিন

এই ম্যাসেজ শুধু তাদের পাঠাবে যাকে তুমি 2018 তেও হারাতে
চাও না।
এই ম্যাসেজ বলে দিতে পারবে যে কে তোমাকে সাথে রাখতে চায়...... আর কে তোমাকে সাথে রাখতে চায় না।
যদি দেখো সতের টি reply আসে তাহলে তুমি ই লাকি.....!
ALL
THE BEST এই SMS তোমার life এর sweet & real friends দের send করো.. আমাকেও send back করতে পার যদি আমাকে sweet n real friend ভাব.... O,,,,,
যদি 8 SMS তোমার কাছে ফিরে আসে তাহলে বুঝবে .. তুমি খুব lucky.
এই sms টা মনোযোগ দিয়ে পড়ো।
→তিনটি জিনিসের উপর ভরসা করা ঠিক নয়,,
১. নদীর পাড়ের বাড়ি
২. ব্রেক ছাড়া গাড়ি
৩. পর্দা ছাড়া নারী।
→তিনটি জিনিস একবার আসেঃ,,,
(১) মাতা-পিতা
(২) সৌন্দর্য্য
(৩) যৌবন।
→তিনটি জিনিস ফিরিয়ে আনা যায়নাঃ,,
(১) বন্দুকের গুলি
(২) কথা
(৩) রূহ।
→তিনটি জিনিস মৃত্যুর পর উপকারে আসেঃ,,
(১) সু-সন্তান
(২) সদকা
(৩) ইলম।
→তিনটি জিনিস সম্মান নষ্ট করেঃ,,
(১) চুরি
(২) চোগলখুরী
(৩) মিথ্যা।
→তিনটি জিনিস পেরেশানিতে রাখেঃ,,
(১) হিংসা
(২) অভাব
(৩) সন্দেহ।
→তিনটি জিনিসকে সর্বদা মনে রেখঃ?
(১) উপদেশ
(২) উপকার
(৩) মৃত্যু।
→তিনটি জিনিস কে আয়ত্বে রেখঃ?
(১) রাগ
(২) জিহবা
(৩) অন্তর।
→তিনটি জিনিস অভ্যাস করঃ?
(১) নামাজ
(২) সত্য বলা
(৩) হালাল রিযিক।
→তিনটি জিনিস থেকে দূরে থেকো?
(১) মিথ্যা
(২) অহংকার
(৩) অভিশাপ।
→তিনটি জিনিসের জন্য যুদ্ধ করঃ?
(১) দেশ
(২) জাতি
(৩) সত্য।
→তিনটি জিনিসকে চিন্তা করে ব্যবহার করঃ?
(১) কলম
(২) কসম
(৩) কদম
 এই sms টা হৃদয় থেকে
Forward কোরো,,,।
যারা তোমার কাছে খুব মধুর প্রিয়। 
   
আজ প্রিয়জনদের দিন
Thursday, June 28, 2018
মাদরাসা পড়ুয়া মেয়ে বিয়ে করবেন কেন?
আব্দুর রহমান মাদানী.........
→মাদরাসা পড়ুয়া মেয়ে বিয়ে করবেন কেন?
মাদরাসা পড়ুয়া ছেলেদের প্রতি মাদরাসা পড়ুয়া মেয়েদের হৃদয়ের টান অনেক বেশী।
মাদরাসা পড়ুয়া অনেক মেয়ের কথা শুনা যায় যে, কোন ছাত্রী বিবাহ হয়ে মাদরাসায় আসলে একে অপরকে জিজ্ঞাসা করে :
.
কিরে! তোর বর হুজুর না খেজুর।
হুজুর মানে মাদরাসা পড়ুয়া, দাড়ী- টুপিওয়ালা। খেজুর মানে দাড়ী ছাড়া / সাধারণ মানুষ।
.
মাদরাসার ছাত্রদের প্রতি তাদের ভালবাসা সীমাহীন। কারন মাদরাসা পড়ুয়া মেয়েরা স্বামীদের অতি বেশী ভালবাসে এবং স্বামীর প্রতি তাদের ভক্তি শ্রদ্ধা অনেক বেশী।
.
কেহ যদি বলেন :
তারা তো স্বামীর আদেশ মানেনা, অনেকে আবার পর্দাও করেনা। তাদের বলি আচ্ছা ভাই ! বলুন তো? এই সংখ্যাটা কি অনেক বেশী নাকি কম?
.
যদি বলেন বেশি তাহলে আমি বলবো : কাপড় সাদা হওয়ায় দাগটা ফুটে উঠেছে।
.
আর যদি বলেন কম, তাহলে বলবো :
কম দিয়ে বেশীকে বিবেচনা করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।
.
তার পরেও যদি কেউ বিপথগামী হয় তাহলে জিজ্ঞাসা করবো : যদি এই মেয়েটি মাদরাসায় না পড়ে কলেজ- ভার্সিটিতে পড়তো তাহলে কেমন হতো ? লাকি কিংবা ঐশীর মত হত?
.
আমার দৃষ্টিতে পছন্দ না করার কারন এটা হতে পারে :
১/নিজের চেয়ে যদি জ্ঞানসম্পন্ন হয়, সে ক্ষেত্রে স্ত্রীর কাছে লজ্জিত হওয়ার ভয়।
২/নিজের চেয়ে যদি দ্বীনদার হয়, সে ক্ষেত্রে দ্বীন সম্মন্ধে নিজের উদাসীনতা স্ত্রীর কাছে প্রকাশ হওয়ার ভয়। স্ত্রী যদি নিজের চেয়ে বেশি জ্ঞান সম্পন্ন হয় সে তো সৌভাগ্য।
.
স্ত্রী যদি দ্বীনদার হয় তবে তো জান্নাতের পথ পাওয়া অনেক সহজ । কারণ আপনি যখন কোন গুনাহর কাজ করবেন, সে আপনাকে বাঁধা দিবে। আর নিজেও গুনাহর কাজ থেকে বিরত থাকবে।
.
যে সব কারণে মহিলা মাদরাসা পড়ুয়া মেয়েদের বিয়ে করা উচিৎ।
১ :- পর্দানশীন হয়ে থাকে।
২ :- স্বামীকে অত্যাধিক ভালোবাসে।
৩ :- পরকিয়া প্রেমে জড়ায় না।
৪ :- সহিহভাবে কুরআন পড়তে পারে।
৫ :- শরিয়াত সম্মন্ধে পূর্ণ ধারণা রাখে।
৬ :- ভবিষ্যত প্রজন্মকে দ্বীনি ইলম শিক্ষা দিতে পারবে।
.
তবে সর্বশেষ কথা হলো ভালো মন্দ সব জায়গাতেই আছে। তবে মাদ্রাসার লাইনে ভাল 'র সংখ্যাটা বেশি। আর বর্তমানে স্কুল কলেজে তো নতুন প্রপোজ প্রজন্ম গড়ে উঠছে। প্রকাশ্যে প্রপোজাল করে কিস লেনদেন করে! এরপরও যারা মাদরাসার মেয়ে বিয়ে করতে চাননা বা পছন্দ করেন না, তাদের জন্য এক ড্রাম আফসোস।
→মাদরাসা পড়ুয়া মেয়ে বিয়ে করবেন কেন?
মাদরাসা পড়ুয়া ছেলেদের প্রতি মাদরাসা পড়ুয়া মেয়েদের হৃদয়ের টান অনেক বেশী।
মাদরাসা পড়ুয়া অনেক মেয়ের কথা শুনা যায় যে, কোন ছাত্রী বিবাহ হয়ে মাদরাসায় আসলে একে অপরকে জিজ্ঞাসা করে :
.
কিরে! তোর বর হুজুর না খেজুর।
হুজুর মানে মাদরাসা পড়ুয়া, দাড়ী- টুপিওয়ালা। খেজুর মানে দাড়ী ছাড়া / সাধারণ মানুষ।
.
মাদরাসার ছাত্রদের প্রতি তাদের ভালবাসা সীমাহীন। কারন মাদরাসা পড়ুয়া মেয়েরা স্বামীদের অতি বেশী ভালবাসে এবং স্বামীর প্রতি তাদের ভক্তি শ্রদ্ধা অনেক বেশী।
.
কেহ যদি বলেন :
তারা তো স্বামীর আদেশ মানেনা, অনেকে আবার পর্দাও করেনা। তাদের বলি আচ্ছা ভাই ! বলুন তো? এই সংখ্যাটা কি অনেক বেশী নাকি কম?
.
যদি বলেন বেশি তাহলে আমি বলবো : কাপড় সাদা হওয়ায় দাগটা ফুটে উঠেছে।
.
আর যদি বলেন কম, তাহলে বলবো :
কম দিয়ে বেশীকে বিবেচনা করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।
.
তার পরেও যদি কেউ বিপথগামী হয় তাহলে জিজ্ঞাসা করবো : যদি এই মেয়েটি মাদরাসায় না পড়ে কলেজ- ভার্সিটিতে পড়তো তাহলে কেমন হতো ? লাকি কিংবা ঐশীর মত হত?
.
আমার দৃষ্টিতে পছন্দ না করার কারন এটা হতে পারে :
১/নিজের চেয়ে যদি জ্ঞানসম্পন্ন হয়, সে ক্ষেত্রে স্ত্রীর কাছে লজ্জিত হওয়ার ভয়।
২/নিজের চেয়ে যদি দ্বীনদার হয়, সে ক্ষেত্রে দ্বীন সম্মন্ধে নিজের উদাসীনতা স্ত্রীর কাছে প্রকাশ হওয়ার ভয়। স্ত্রী যদি নিজের চেয়ে বেশি জ্ঞান সম্পন্ন হয় সে তো সৌভাগ্য।
.
স্ত্রী যদি দ্বীনদার হয় তবে তো জান্নাতের পথ পাওয়া অনেক সহজ । কারণ আপনি যখন কোন গুনাহর কাজ করবেন, সে আপনাকে বাঁধা দিবে। আর নিজেও গুনাহর কাজ থেকে বিরত থাকবে।
.
যে সব কারণে মহিলা মাদরাসা পড়ুয়া মেয়েদের বিয়ে করা উচিৎ।
১ :- পর্দানশীন হয়ে থাকে।
২ :- স্বামীকে অত্যাধিক ভালোবাসে।
৩ :- পরকিয়া প্রেমে জড়ায় না।
৪ :- সহিহভাবে কুরআন পড়তে পারে।
৫ :- শরিয়াত সম্মন্ধে পূর্ণ ধারণা রাখে।
৬ :- ভবিষ্যত প্রজন্মকে দ্বীনি ইলম শিক্ষা দিতে পারবে।
.
তবে সর্বশেষ কথা হলো ভালো মন্দ সব জায়গাতেই আছে। তবে মাদ্রাসার লাইনে ভাল 'র সংখ্যাটা বেশি। আর বর্তমানে স্কুল কলেজে তো নতুন প্রপোজ প্রজন্ম গড়ে উঠছে। প্রকাশ্যে প্রপোজাল করে কিস লেনদেন করে! এরপরও যারা মাদরাসার মেয়ে বিয়ে করতে চাননা বা পছন্দ করেন না, তাদের জন্য এক ড্রাম আফসোস।
কুয়েত ভিসা প্রসেসিং...............
কুয়েত ভিসা প্রসেসিং
যোগাযোগঃ-01978202265
আল আবার ইউনাইটেড কোম্পানি
ইলেক্ট্রিসিয়ান,হেবি ড্রাইভার ,লেবার ,কারপেন্টার
.ম্যাশন (প্লাস্তার,টাইলস,ব্লক).প্লাম্বার
,অ্যালুমিনিয়াম ফিটার,থাকাঃ কোম্পানীর,খাওয়াঃ কোম্পানীর,বাসা থেকে কর্মস্থল যাতায়াতঃ কোম্পানীর,ইনস্যুরেন্সঃ কোম্পানীর,বাৎসর
িক ছুটিঃ ৩০ দিন,চুক্তিঃ ২ বছরের (নবায়নযোগ্য),ডিউটিঃ ০৮ ঘন্টা (সপ্তাহে ০৬ দিন),ওভারটাইমঃ কুয়েত লেবার ল অনুযায়ী.ফ্লাইটঃ ১ মাসের মধ্যে
যোগাযোগঃ-01978202265
যোগাযোগঃ-01978202265
আল আবার ইউনাইটেড কোম্পানি
ইলেক্ট্রিসিয়ান,হেবি ড্রাইভার ,লেবার ,কারপেন্টার
.ম্যাশন (প্লাস্তার,টাইলস,ব্লক).প্লাম্বার
,অ্যালুমিনিয়াম ফিটার,থাকাঃ কোম্পানীর,খাওয়াঃ কোম্পানীর,বাসা থেকে কর্মস্থল যাতায়াতঃ কোম্পানীর,ইনস্যুরেন্সঃ কোম্পানীর,বাৎসর
িক ছুটিঃ ৩০ দিন,চুক্তিঃ ২ বছরের (নবায়নযোগ্য),ডিউটিঃ ০৮ ঘন্টা (সপ্তাহে ০৬ দিন),ওভারটাইমঃ কুয়েত লেবার ল অনুযায়ী.ফ্লাইটঃ ১ মাসের মধ্যে
যোগাযোগঃ-01978202265
যেই কারনে তাবলীগ কে ভালবাসী.............
রেদওয়ান আহমদ ..........
তিনটি কারনে তাবলীগকে জীবনের চেয়েও
বেশি ভালবাসী।
১।তাবলীগের উদ্দেশ্য হল সারা দুনিয়ার মানুষ যেন
হেদায়েত পেয়ে যায়, অর্থাৎ সবাই যেন দুনিয়া এবং
আখেরাতে কামিয়াবী হাসিল করে।
২।তাবলীগ জামাত নিজের জান নিজের মাল কুরবানি
করে উম্মতের দুয়ারে দুয়ারে দ্বীনের আলো
পৌঁছে দেয়। এরজন্য তারা কারও কাছে কোন বিনিময়
চায়না।
৩।তাবলীগ কখনো কারো বিরোধিতার পরোয়া
করেনা, যে যা ইচ্ছে বলুক, তাবলীগের সাথীরা
কখনো সেদিকে তাকায়না বরংচ তারা তাদের মেহনত
করেই যাচ্ছে।
আল্লাহপাক আমাদের সবাইকে দাওয়াত ও তাবলীগের
আজীমুশ্বান মেহনতে কবুল করেন।
তিনটি কারনে তাবলীগকে জীবনের চেয়েও
বেশি ভালবাসী।
১।তাবলীগের উদ্দেশ্য হল সারা দুনিয়ার মানুষ যেন
হেদায়েত পেয়ে যায়, অর্থাৎ সবাই যেন দুনিয়া এবং
আখেরাতে কামিয়াবী হাসিল করে।
২।তাবলীগ জামাত নিজের জান নিজের মাল কুরবানি
করে উম্মতের দুয়ারে দুয়ারে দ্বীনের আলো
পৌঁছে দেয়। এরজন্য তারা কারও কাছে কোন বিনিময়
চায়না।
৩।তাবলীগ কখনো কারো বিরোধিতার পরোয়া
করেনা, যে যা ইচ্ছে বলুক, তাবলীগের সাথীরা
কখনো সেদিকে তাকায়না বরংচ তারা তাদের মেহনত
করেই যাচ্ছে।
আল্লাহপাক আমাদের সবাইকে দাওয়াত ও তাবলীগের
আজীমুশ্বান মেহনতে কবুল করেন।
জমিয়তের ঈদ পূর্নমিলনী সম্পন্ন......
হাঃ মাহমুদুর রাহমন.....
জমিয়তের উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব, ছাত্র জমিয়তের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি মাওলানা ওয়ালি উল্লাহ আরমান বলেছেন, ব্যক্তি গঠন, ইসলামী শিক্ষা ও সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ছাত্র জমিয়ত নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ছাত্র জীবনের শিক্ষা, মেধা, আদর্শকে বাস্তব জীবনে কাজে লাগিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করতে হবে। সংগঠনের কার্যক্রমকে আরো শক্তিশালী করতে তৃণমূল পর্যায়ের ছাত্র জমিয়ত নেতৃবৃন্দকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। তিনি ছাত্র জমিয়তের পতাকা তলে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রদের সম্পৃক্ত করতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা পালনের আহবান জানান।
তিনি ২৮ জুন বৃস্পতিবার বিকেলে নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ, সিলেট মহানগর শাখা আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

সিলেট মহানগর ছাত্র জমিয়তের আহবায়ক হাফিজ শাব্বির রাজি’র সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব হাফিজ খলিলুল্লাহ ও জাফর ইকবালের যৌথ পরিচালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ছাত্র জমিয়তের কেন্দ্রীয় আহবায়ক ছাত্রনেতা তোফায়েল গাজালী, সদস্য সচিব এম. বেলাল আহমদ চৌধুরী, যুব জমিয়তের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি হাফিজ মাওলানা আহমদ ছগির, মাওলানা আবু বকর সরকার, মাওলানা রফিক আহমদ মহল্লী, মুশতাক আহমদ ফুরকানী, মুফতী জাকারিয়া মাহমুদ, আব্দুল ওয়াদুদ মওদুদ, ঢাকা মহানগর ছাত্র জমিয়তের সভাপতি নিজাম উদ্দিন আল আদনান, রেজাউল হক এলএলবি, জি.কে লিক্সন, আহমদ জাকারিয়া, কায়সান মাহমুদ আকবরী, হাফিজ জয়নাল আবেদীন ডালিম, মাওলানা খালেদ আহমদ, হাফিজ কে.এম হিলাল আহমদ, মাহমুদুল হাসান, মীম সালমান, নূরুল হুদা, জামিল আহমদ, হাফিজ আবু তাহের, মিজানুর রহমান শিপু, হাফিজ মাহমুদ, মাওলানা মিজান, হাফিজ খালেদ আহমদ বালাগঞ্জী, আল-আমীন নাফেহ, রাসেল মাহফুজ, লুৎফুল করিম রেজ্জাক, আতিকুর রহমান হাতিমী, আবু মারজান নোমানী, হাফিজ আব্দুস শহীদ, শিব্বির আহমদ, সাজ্জাদ হোসেন রুমন প্রমুখ।
শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা ইব্রাহিম আহমদ।
জমিয়তের উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব, ছাত্র জমিয়তের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি মাওলানা ওয়ালি উল্লাহ আরমান বলেছেন, ব্যক্তি গঠন, ইসলামী শিক্ষা ও সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ছাত্র জমিয়ত নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ছাত্র জীবনের শিক্ষা, মেধা, আদর্শকে বাস্তব জীবনে কাজে লাগিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করতে হবে। সংগঠনের কার্যক্রমকে আরো শক্তিশালী করতে তৃণমূল পর্যায়ের ছাত্র জমিয়ত নেতৃবৃন্দকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। তিনি ছাত্র জমিয়তের পতাকা তলে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রদের সম্পৃক্ত করতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা পালনের আহবান জানান।
তিনি ২৮ জুন বৃস্পতিবার বিকেলে নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ, সিলেট মহানগর শাখা আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

সিলেট মহানগর ছাত্র জমিয়তের আহবায়ক হাফিজ শাব্বির রাজি’র সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব হাফিজ খলিলুল্লাহ ও জাফর ইকবালের যৌথ পরিচালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ছাত্র জমিয়তের কেন্দ্রীয় আহবায়ক ছাত্রনেতা তোফায়েল গাজালী, সদস্য সচিব এম. বেলাল আহমদ চৌধুরী, যুব জমিয়তের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি হাফিজ মাওলানা আহমদ ছগির, মাওলানা আবু বকর সরকার, মাওলানা রফিক আহমদ মহল্লী, মুশতাক আহমদ ফুরকানী, মুফতী জাকারিয়া মাহমুদ, আব্দুল ওয়াদুদ মওদুদ, ঢাকা মহানগর ছাত্র জমিয়তের সভাপতি নিজাম উদ্দিন আল আদনান, রেজাউল হক এলএলবি, জি.কে লিক্সন, আহমদ জাকারিয়া, কায়সান মাহমুদ আকবরী, হাফিজ জয়নাল আবেদীন ডালিম, মাওলানা খালেদ আহমদ, হাফিজ কে.এম হিলাল আহমদ, মাহমুদুল হাসান, মীম সালমান, নূরুল হুদা, জামিল আহমদ, হাফিজ আবু তাহের, মিজানুর রহমান শিপু, হাফিজ মাহমুদ, মাওলানা মিজান, হাফিজ খালেদ আহমদ বালাগঞ্জী, আল-আমীন নাফেহ, রাসেল মাহফুজ, লুৎফুল করিম রেজ্জাক, আতিকুর রহমান হাতিমী, আবু মারজান নোমানী, হাফিজ আব্দুস শহীদ, শিব্বির আহমদ, সাজ্জাদ হোসেন রুমন প্রমুখ।
শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা ইব্রাহিম আহমদ।
দোয়া প্রার্থী......... জিল্লুল করিম
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের সবার দুয়া আমি জামিয়া বারিধারা, গুলশান, ঢাকায় ইসলামী আইন শাস্ত্রে উচ্চতর ডিগ্রী নিতে(তাখাসসুস ফিল ফিকহি ওয়াল ইফতা) ভর্তী হতে পেরেছি।দুয়া করবেন যেন নিজ উদ্দেশ্যে কামিয়াব হতে পারি।
জমিয়ত. জমিয়ত. জমিয়ত.
জমিয়ত জমিয়ত জমিয়ত
কবিঃ- আজমল হুসাইন
শুদ্ধতার আলো মেখে কালো করে দূর
জমিয়ত মানে হল সাম্যের সুর।
প্রতিটি হৃদয়ে আছে সুরভিত ঘ্রাণ
জামিয়ত মানে হল বিজয়ের গান।
দূর করে পৃথিবীর আঁধারের ঘোর
জমিয়ত মানে হল আলোকিত ভোর।
মারামারি-হানাহানি নেই সংঘাত
জমিয়ত মানে হল রাখা হাতে হাত।
আঁধারে ছড়ায় আলো, নেই মতামত
জমিয়ত মানে হল আল্লাহর পথ।
সজীব বাগানে আছে ফুলের চারা
জমিয়ত মানে হল আকাশের তারা।
দ্বীনের জন্য ঝরে তাজা খুন ঘাম
জমিয়ত হল এক সংগ্রামী নাম।
জমিয়ত, জমিয়ত, মোহনীয় গান
জমিয়ত জনতার,সকলের প্রাণ।
কবিঃ- আজমল হুসাইন
শুদ্ধতার আলো মেখে কালো করে দূর
জমিয়ত মানে হল সাম্যের সুর।
প্রতিটি হৃদয়ে আছে সুরভিত ঘ্রাণ
জামিয়ত মানে হল বিজয়ের গান।
দূর করে পৃথিবীর আঁধারের ঘোর
জমিয়ত মানে হল আলোকিত ভোর।
মারামারি-হানাহানি নেই সংঘাত
জমিয়ত মানে হল রাখা হাতে হাত।
আঁধারে ছড়ায় আলো, নেই মতামত
জমিয়ত মানে হল আল্লাহর পথ।
সজীব বাগানে আছে ফুলের চারা
জমিয়ত মানে হল আকাশের তারা।
দ্বীনের জন্য ঝরে তাজা খুন ঘাম
জমিয়ত হল এক সংগ্রামী নাম।
জমিয়ত, জমিয়ত, মোহনীয় গান
জমিয়ত জনতার,সকলের প্রাণ।
Wednesday, June 27, 2018
সেলফি......ঘোষণা
একটি বিশেষ ঘোষণা
"""নাজরুল ইসলাম"""""
দ্বীনি ভাই-বোনদের জন্য
বর্তমানে ফেবু একটি এমন মাধ্যম যেখানে ব্যক্তির পরিচয় এবং রুচিবোধ ফুটে উঠে। অতএব ফেুব যেন আমার ক্ষতির কারণ না হয়ে দাড়ায়।
সেলফি দমন কমিশনের সদস্যগণ আপনার ফেবুর উপর তীক্ষ্ম দৃষ্টি রাখছেন। যেহেতু আপনি আলেম, মুফতি, ইমাম বা হাফেজ সাহেব সেহেতু ধুমাইয়া সেলফিবাজি এবং প্রচারবাজি করা কোনভাবেই আপনার পরহেজগারীর সাথে মানায় না। অতএব দ্বীনি ভাই হিসেবে আপনার এই ভুল কাজটি ধরিয়ে দেয়া আরেক দ্বীনি ভাইয়ের দায়িত্ব। এজন্য সেলফি দমন কমিশনের সদস্যগণ প্রথমে আপনাকে বিনয়ের সহিত বিষয়টি জানাবেন। যদি আপনি তখনি সংশোধন হয়ে যান তো আলহামদুলিল্লাহ। আর যদি ঘাড় ত্যাড়ামি করেন তো পরে একে একে সর্বশেষ আপনার মাদ্রাসা/
মসজিদে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে আপনার দ্বারা যে বদ্বীনি কার্যক্রম চলছে তা জনগণকে জানানোর মতো পদক্ষেপও নেয়া হতে পারে।
তাই আসুন নিজের সম্মান নিজে রাখি এখনি সেলফিবাজি বন্ধ করি এবং ফেবুর ওয়াল থেকে সেলফিবাজি ছবিগুলো মুছে ফেলি।
নোট: ইহা একটি দ্বীনি সংশোধনী কার্যক্রম, সবার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।
জাকির নায়ক এর এক পাগল প্রমিক
★কৈফিয়ত ★
মাসুম বিন আবু সুবহান এই জানওয়ার
ঐ দেখা যায় তাবলীগ জামাআত
ঐ বেদাআতী দল,
পুটলি পোটলা সাথে নিয়ে
দেখায় নানা ছল।
মসজিদে মসজিদে ঘুরে তারা
শুনায় কত বয়ান,
শুধু বলে কিতাবে আছে
বলেনা হাদিস কুরআন।
ইলিয়াস সাহেবের স্বপ্নে পাওয়া
ওলীক তাদের ধর্ম,
ছয় উসূল আর নানা ফজিলত
যিকির ই যেন মূল কর্ম।
ফাযায়েলে আমল বই টি তাদের
বিরাট বড় ধন,
হাদিস কুরআনের ধার ধারে না
কিযে তার কারণ ?
টঙ্গীর মাঠে যতই লোকের
সমাবেশ তোমরা কর না,
হজ্জের সাথে কখনো তার
হবে না তুলনা।
চিল্লায় গিয়ে লাভ কি বলুন
যদি না করেন রাসূলে,
সাহাবা কিংবা তাবে তাবেঈন
নেই তো তাদের আমলে।
শুধুই বলে কিতাবে আছে
করলে অনেক ফজিলত,
রেফারেন্স কেন দেয়না তারা
কে দিবে তার কৈফিয়ত।
দিচ্ছে ধোঁকা হচ্ছে বোকা
সহজ সরল মুসলমান,
ওহীর পথে আসুন ফিরে
এটাই হবে তার সমাধান।
মাসুম বিন আবু সুবহান এই জানওয়ার
ঐ দেখা যায় তাবলীগ জামাআত
ঐ বেদাআতী দল,
পুটলি পোটলা সাথে নিয়ে
দেখায় নানা ছল।
মসজিদে মসজিদে ঘুরে তারা
শুনায় কত বয়ান,
শুধু বলে কিতাবে আছে
বলেনা হাদিস কুরআন।
ইলিয়াস সাহেবের স্বপ্নে পাওয়া
ওলীক তাদের ধর্ম,
ছয় উসূল আর নানা ফজিলত
যিকির ই যেন মূল কর্ম।
ফাযায়েলে আমল বই টি তাদের
বিরাট বড় ধন,
হাদিস কুরআনের ধার ধারে না
কিযে তার কারণ ?
টঙ্গীর মাঠে যতই লোকের
সমাবেশ তোমরা কর না,
হজ্জের সাথে কখনো তার
হবে না তুলনা।
চিল্লায় গিয়ে লাভ কি বলুন
যদি না করেন রাসূলে,
সাহাবা কিংবা তাবে তাবেঈন
নেই তো তাদের আমলে।
শুধুই বলে কিতাবে আছে
করলে অনেক ফজিলত,
রেফারেন্স কেন দেয়না তারা
কে দিবে তার কৈফিয়ত।
দিচ্ছে ধোঁকা হচ্ছে বোকা
সহজ সরল মুসলমান,
ওহীর পথে আসুন ফিরে
এটাই হবে তার সমাধান।
বাতিলদের মিথ্যাচার................
বাতিলদের মিথ্যাচার...........
মোঃ ইমরান খাঁন
Radwan Ahmed
❖ ওহে বাতিল চালিয়ে যাও, তোমাদের মিথ্যাচার,
✿ হাসরের ময়দানে হবে তোমার, আসল বিচার।
❖ ইলিয়াসি তাবলীগী আজ, বলছো তুমি কাকে?
✿ যারা জান মাল কোরবানি দিয়ে, দিনের পথে হাটে?
❖ তাবলীগের ভুল ধরতে তুমি, হয়েছো সদা সোচ্চার,
✿ দেখতে পাওনা চারিদিকে চলছে, কত অন্যায় অবিচার।
❖ যেসব যুবক আজ চিল্লাহ দিয়ে, সুন্নাত মেনে চলে,
✿ তাদের পিছনে লেগে আছো, তোমরা সদলবলে।
❖ মদ-গাঞ্জা-নারীর নেশায় আছে, যেসব যুবক মেতে,
✿ একবারও তো দেখিনি তোমরা, তাদের কাছে যেতে?
❖ তাবলীগ আছে, তাবলীগ থাকবে, বাড়বে দিনে দিনে,
✿ তোমরা ঠিকই হারিয়ে যাবে, কালের বিবর্তনে।
মোঃআব্দুল বাকী আরজান
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকেই সমস্ত ফেৎনা ফ্যাসাদ থেকে হেফাজত করে ঈমান নিয়ে মৃত্যুবরণ করার তৌফিক দান করুণ। আমিন ।
মোঃ ইমরান খাঁন
Radwan Ahmed

❖ ওহে বাতিল চালিয়ে যাও, তোমাদের মিথ্যাচার,
✿ হাসরের ময়দানে হবে তোমার, আসল বিচার।
❖ ইলিয়াসি তাবলীগী আজ, বলছো তুমি কাকে?
✿ যারা জান মাল কোরবানি দিয়ে, দিনের পথে হাটে?
❖ তাবলীগের ভুল ধরতে তুমি, হয়েছো সদা সোচ্চার,
✿ দেখতে পাওনা চারিদিকে চলছে, কত অন্যায় অবিচার।
❖ যেসব যুবক আজ চিল্লাহ দিয়ে, সুন্নাত মেনে চলে,
✿ তাদের পিছনে লেগে আছো, তোমরা সদলবলে।
❖ মদ-গাঞ্জা-নারীর নেশায় আছে, যেসব যুবক মেতে,
✿ একবারও তো দেখিনি তোমরা, তাদের কাছে যেতে?
❖ তাবলীগ আছে, তাবলীগ থাকবে, বাড়বে দিনে দিনে,
✿ তোমরা ঠিকই হারিয়ে যাবে, কালের বিবর্তনে।
মোঃআব্দুল বাকী আরজান
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকেই সমস্ত ফেৎনা ফ্যাসাদ থেকে হেফাজত করে ঈমান নিয়ে মৃত্যুবরণ করার তৌফিক দান করুণ। আমিন ।
ভালোবাসার প্রথম সিঁড়ি বিবাহ
"ভালোবাসার প্রথম সিঁড়ি বিবাহ"
ইকরামুল হক জাবের
মানব সন্তানের আগমনের দ্বারা দুনিয়াতে কিয়ামত পর্যন্ত।নর-নারীর মাধ্যমে আল্লাহ ভরপুর করে রাখবেন কিয়ামত অবধি ।মহান আল্লাহ তাঅালা তাঁর স্বীয় শক্তির প্রাবল্যে, মানব সন্তানের আগমনের যে ক্রমধারা জারী রেখেছেন।ক্রমধারাটি স্থাপন হয়েছে স্বামী-স্ত্রী মাধ্যমে।আল্লাহ তাআলা এরই মাধ্যমে এই ভূ-পৃষ্ট নর নারীর দ্বারা সুন্দর ও সুখময় করে কিয়ামত পর্যন্ত তা বহমান রাখবেন।আবার তিনি একদল মানবের মূত্যু নামের ঘণ্টা বাজান যে ঘণ্টা বাজলে চলে যেতে হয় শান্তিপুরে। সেখান থেকে আর ফিরে আসা যায় না,আসা আদৌ সম্ভব নয়।
যদি আল্লাহ স্বামী-স্ত্রীর মাধ্যমে নর-নারী আসার ধারাবাহিকতা বন্ধ রাখতেন,তাহলে ভূ-পৃষ্ট মরুভূমির ন্যায় ফাঁকা হয়ে যেত,হিংস্র জানোয়ার পশু-পাখি ছাড়া আর কিছুই থাকত না। থাকত না নিবিড় ভালোবাসা
.
কষ্ট,যাতনা,ক্লেশ ,সুখ-দুখ আছে বলেই ভূ-পৃষ্ট এত সুন্দর।মানবের মাঝে ভালোবাসার গুণ আছে, আছে আদর ও সোহাগ ।আর ভালোবাসার প্রথম সিড়ি হলো বিবাহ তথা স্বমী-স্ত্রী এই সিঁড়ি দিয়েই ভালোবাসার ফুলে, রাঙানো পথে পা বাড়াতে হয় এই পথের যাত্রী না হয়ে অন্য পথের যাত্রী হয়ে ভালোবাসা আদর সোহাগ খুঁজলে ভালোবাসার নামে যাতনা,ক্লেশ, প্রতারণা ও বেদনা ছাড়া কিছুই আশা করা যায় না।
.
দ্বিতিয় সিঁড়ি সংসার প্রথম সিঁড়ি অতিক্রম করে আসতে হয়। দ্বিতিয় সিঁড়িতে আসার পর স্বামী-স্ত্রী গভীর ভালোবাসায় নিমগ্ন হয়।এখানে খুঁজে পায় একে অপরের কাছে আনন্দ ও শান্তি ,শত বেদনা ও কষ্টের পর স্ত্রী স্বামীর বুকে মাথা রেখে অনুভব করে অনাবিল সুখ।স্ত্রী যেন দুনিয়ার বেহেস্তে ডুবে যায়।এভাবে গভীর ভালোবাসার পথ ক্রমান্বয়েে চলার পর অাসে তৃতীয় ধারা...
.
তৃতীয় সিঁড়িতে সন্তান পাওয়ার আশা থাকে...! স্বামী ও স্ত্রী যখন সন্তানের মুখ দেখে তখন আনন্দে আত্মহারা হয়ে যায় এবং ভালোবাসা ও দাম্পত্য জীবনের সফলতা অনুভব করে।
কিন্তু জেনে রাখতে হবে স্বামী-স্ত্রীর জীবন,যাকে আমরা দাম্পত্য বলে অাখ্যা দিয়ে থাকি।তা শুধু সুখের নাম নয়,নয় দুঃখেরও বরং সুখ-দুঃখ,হাসি,কান্না,আনন্দ,বেদনা,যাতনা,অভিমান,আশা,নিরাশা,সু-সময়,দুঃসময় উভয়কে ভাগ করে নিয়ে জীবন সাথি হওয়ার নাম হচ্ছে দাম্পত্য জীবন।চির সুখের জায়গা একমাত্র পরকালের সু-উন্নত জায়গা জান্নাত।জান্নাত ছাড়া চির সুখ কোথায়ও পাওয়া যায় না। দুনিয়ার সুখ ক্ষণস্হায়ী আর আখেরাতের সুখ চিরস্হায়ী।
.
সুতরাং স্বামী-স্ত্রী উভয়কেই ফিকে ভোগ বিলাসিতায় মগ্ন থাকলে চলবে না। বরং আখেরাতের ভয়ও অন্তরে রাখতে হবে।দুনিয়ার সুখের জন্য স্বামীর অন্তরে স্ত্রী কষ্ট দেওয়া, স্বামী স্ত্রী উভয়ে অভিমান করে বসে থাকলে হবে না ।হাদিসে আছে আদম সন্তান ভুল না করলে আল্লাহ এমন এক জাতি সৃষ্টি করতেন যারা ভুল করে। হাদিসের মধ্যে আরও আছে ভুলাকারীদের মধ্যে উত্তম তারাই, যারা স্বীয় ভুলের জন্য আল্লাহর কাছে তাওবা করে নেয়।
স্ত্রী ভুল করলে স্বামী তাঁকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবে, সংশোধনের পথ বাতলে দিবে,স্বামীর ভুল হলে স্ত্রী সম্মান ও আদর সমেত স্বামীকে বুঝানোর চেষ্টা করবে।অভিমান করে বসে থাকলে, দাম্পত্য জীবনে দেখা দিবে দুঃখের ছাঁয়া,সমাজে দেখা দিবে বিভিন্ন অঘটন।প্রভাব পড়বে আগত নব জাতকের উপর অপসংস্কৃতির ছাপ। বিলীন হয়ে যাবে সুখ ।আসবে জীবনে দুঃখ নামের কালো পাথর।যা মানব মানবীকে নিয়ে যাবে অশান্ত নগরের পারে, যেখানে আগুন জ্বালানো আছে যা জ্বালিয়ে ভস্ম করে দিবে।
****স্বামী-স্ত্রী যা আদায় করতে হবে ***
স্বামী-স্ত্রী স্বীয় দায়িত্ব্যে ভ্রতি থাকতে হবে। আদায় করতে হবে সমূহ কর্তব্য ।স্বামী-স্ত্রী যেন দায়িত্ব্য আদায় পালন করতে শৈতল্য বোধ না করেন।একে অন্যের হক পালন করতে অলসতা না করেন বরং মনে প্রাণে যেন স্বামীর হুকুক আদায় করতে মনোযোগী হন।বিবাহে শরীয়তের কানুন মত উভয় কে কবুল পড়ানো হয়েছে। উক্ত কবুলের বিস্তারিত ব্যাখ্যা হল আমি স্বামীর সমস্ত হক আদায় করাকে মনে প্রাণে কবুল করলাম। অনুরূপ স্বামীর কবুল বলার একই অর্থ আমিও স্ত্রীর সমস্ত হক আদায় করাকে মনে প্রাণে কবুল করলাম। স্ত্রীর জন্য একান্ত কর্তব্য হল স্বামীর আনুগত্য হয়ে চলা। স্বামীর মালের হেফাজত করবে। স্বামীর অনুপস্হিতিতে নিজের ইজ্জতের হেফাজত করা ইত্যাদি ।হাদিসে উত্তম স্ত্রীর বর্ণনা করা হয়েছে যখন স্বামী-স্ত্রীর একে অন্যের দিকে দৃষ্টি পড়বে তখন খুশ নজর থাকা কর্তব্য ।আজকাল আধুনিকতার যুগে নারীরা স্বামীর অজান্তে নোংড়ামী ভোগ ,বিলাসিতা, কামও প্রেম নিয়ে বিভোর হয়ে থাকে। একদিন যিনি বিভোর ছিলেন যৌবনের দিকে পরে তিনি হয়ে যান মাতা-পিতা, ভাই বোনের বোঝা।
.
নারী ইজ্জতের সংরক্ষণ করতে পারলে তিনি হবেন সবার কাছে প্রিয় ও সম্মানের পাত্রী। মেশকের ন্যায়,তাঁর কাছ থেকে সুবাস ছড়াতে থাকবে,তাঁর উদরের সন্তানেরা হবে সম্মানের অধিকারী,যোগ্য মায়ের যোগ্য সন্তান।স্বামীর কাছে স্ত্রীর হক হলো স্ত্রীর পাপ্য আদায় করা,স্ত্রীর প্রয়োজনীয় সামগ্রী সাধ্যনুসারে যোগিয়ে রাখা।স্বামী যা পরবে স্ত্রীকে ও তা পরাবে, স্বামী যা খাবে স্ত্রীকে ও তা খাওয়াবে ইত্যাদি মনে রাখতে হবে। কিয়ামত দিবসে উভয়কেই প্রত্যেকের দায়িত্ব্য সম্পর্কে আল্লাহর কাছে আসামির কাটগড়ায় দাঁড়িয়ে জবাব দেহি করতে হবে এবং প্রত্যেকে সৎ কর্ম ও অসৎ কর্মের ফলাফল ভোগ করতে হবে সেদিন আল্লাহ কারো উপর জুলুম করবেন না।
ইকরামুল হক জাবের
মানব সন্তানের আগমনের দ্বারা দুনিয়াতে কিয়ামত পর্যন্ত।নর-নারীর মাধ্যমে আল্লাহ ভরপুর করে রাখবেন কিয়ামত অবধি ।মহান আল্লাহ তাঅালা তাঁর স্বীয় শক্তির প্রাবল্যে, মানব সন্তানের আগমনের যে ক্রমধারা জারী রেখেছেন।ক্রমধারাটি স্থাপন হয়েছে স্বামী-স্ত্রী মাধ্যমে।আল্লাহ তাআলা এরই মাধ্যমে এই ভূ-পৃষ্ট নর নারীর দ্বারা সুন্দর ও সুখময় করে কিয়ামত পর্যন্ত তা বহমান রাখবেন।আবার তিনি একদল মানবের মূত্যু নামের ঘণ্টা বাজান যে ঘণ্টা বাজলে চলে যেতে হয় শান্তিপুরে। সেখান থেকে আর ফিরে আসা যায় না,আসা আদৌ সম্ভব নয়।
যদি আল্লাহ স্বামী-স্ত্রীর মাধ্যমে নর-নারী আসার ধারাবাহিকতা বন্ধ রাখতেন,তাহলে ভূ-পৃষ্ট মরুভূমির ন্যায় ফাঁকা হয়ে যেত,হিংস্র জানোয়ার পশু-পাখি ছাড়া আর কিছুই থাকত না। থাকত না নিবিড় ভালোবাসা
.
কষ্ট,যাতনা,ক্লেশ ,সুখ-দুখ আছে বলেই ভূ-পৃষ্ট এত সুন্দর।মানবের মাঝে ভালোবাসার গুণ আছে, আছে আদর ও সোহাগ ।আর ভালোবাসার প্রথম সিড়ি হলো বিবাহ তথা স্বমী-স্ত্রী এই সিঁড়ি দিয়েই ভালোবাসার ফুলে, রাঙানো পথে পা বাড়াতে হয় এই পথের যাত্রী না হয়ে অন্য পথের যাত্রী হয়ে ভালোবাসা আদর সোহাগ খুঁজলে ভালোবাসার নামে যাতনা,ক্লেশ, প্রতারণা ও বেদনা ছাড়া কিছুই আশা করা যায় না।
.
দ্বিতিয় সিঁড়ি সংসার প্রথম সিঁড়ি অতিক্রম করে আসতে হয়। দ্বিতিয় সিঁড়িতে আসার পর স্বামী-স্ত্রী গভীর ভালোবাসায় নিমগ্ন হয়।এখানে খুঁজে পায় একে অপরের কাছে আনন্দ ও শান্তি ,শত বেদনা ও কষ্টের পর স্ত্রী স্বামীর বুকে মাথা রেখে অনুভব করে অনাবিল সুখ।স্ত্রী যেন দুনিয়ার বেহেস্তে ডুবে যায়।এভাবে গভীর ভালোবাসার পথ ক্রমান্বয়েে চলার পর অাসে তৃতীয় ধারা...
.
তৃতীয় সিঁড়িতে সন্তান পাওয়ার আশা থাকে...! স্বামী ও স্ত্রী যখন সন্তানের মুখ দেখে তখন আনন্দে আত্মহারা হয়ে যায় এবং ভালোবাসা ও দাম্পত্য জীবনের সফলতা অনুভব করে।
কিন্তু জেনে রাখতে হবে স্বামী-স্ত্রীর জীবন,যাকে আমরা দাম্পত্য বলে অাখ্যা দিয়ে থাকি।তা শুধু সুখের নাম নয়,নয় দুঃখেরও বরং সুখ-দুঃখ,হাসি,কান্না,আনন্দ,বেদনা,যাতনা,অভিমান,আশা,নিরাশা,সু-সময়,দুঃসময় উভয়কে ভাগ করে নিয়ে জীবন সাথি হওয়ার নাম হচ্ছে দাম্পত্য জীবন।চির সুখের জায়গা একমাত্র পরকালের সু-উন্নত জায়গা জান্নাত।জান্নাত ছাড়া চির সুখ কোথায়ও পাওয়া যায় না। দুনিয়ার সুখ ক্ষণস্হায়ী আর আখেরাতের সুখ চিরস্হায়ী।
.
সুতরাং স্বামী-স্ত্রী উভয়কেই ফিকে ভোগ বিলাসিতায় মগ্ন থাকলে চলবে না। বরং আখেরাতের ভয়ও অন্তরে রাখতে হবে।দুনিয়ার সুখের জন্য স্বামীর অন্তরে স্ত্রী কষ্ট দেওয়া, স্বামী স্ত্রী উভয়ে অভিমান করে বসে থাকলে হবে না ।হাদিসে আছে আদম সন্তান ভুল না করলে আল্লাহ এমন এক জাতি সৃষ্টি করতেন যারা ভুল করে। হাদিসের মধ্যে আরও আছে ভুলাকারীদের মধ্যে উত্তম তারাই, যারা স্বীয় ভুলের জন্য আল্লাহর কাছে তাওবা করে নেয়।
স্ত্রী ভুল করলে স্বামী তাঁকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবে, সংশোধনের পথ বাতলে দিবে,স্বামীর ভুল হলে স্ত্রী সম্মান ও আদর সমেত স্বামীকে বুঝানোর চেষ্টা করবে।অভিমান করে বসে থাকলে, দাম্পত্য জীবনে দেখা দিবে দুঃখের ছাঁয়া,সমাজে দেখা দিবে বিভিন্ন অঘটন।প্রভাব পড়বে আগত নব জাতকের উপর অপসংস্কৃতির ছাপ। বিলীন হয়ে যাবে সুখ ।আসবে জীবনে দুঃখ নামের কালো পাথর।যা মানব মানবীকে নিয়ে যাবে অশান্ত নগরের পারে, যেখানে আগুন জ্বালানো আছে যা জ্বালিয়ে ভস্ম করে দিবে।
****স্বামী-স্ত্রী যা আদায় করতে হবে ***
স্বামী-স্ত্রী স্বীয় দায়িত্ব্যে ভ্রতি থাকতে হবে। আদায় করতে হবে সমূহ কর্তব্য ।স্বামী-স্ত্রী যেন দায়িত্ব্য আদায় পালন করতে শৈতল্য বোধ না করেন।একে অন্যের হক পালন করতে অলসতা না করেন বরং মনে প্রাণে যেন স্বামীর হুকুক আদায় করতে মনোযোগী হন।বিবাহে শরীয়তের কানুন মত উভয় কে কবুল পড়ানো হয়েছে। উক্ত কবুলের বিস্তারিত ব্যাখ্যা হল আমি স্বামীর সমস্ত হক আদায় করাকে মনে প্রাণে কবুল করলাম। অনুরূপ স্বামীর কবুল বলার একই অর্থ আমিও স্ত্রীর সমস্ত হক আদায় করাকে মনে প্রাণে কবুল করলাম। স্ত্রীর জন্য একান্ত কর্তব্য হল স্বামীর আনুগত্য হয়ে চলা। স্বামীর মালের হেফাজত করবে। স্বামীর অনুপস্হিতিতে নিজের ইজ্জতের হেফাজত করা ইত্যাদি ।হাদিসে উত্তম স্ত্রীর বর্ণনা করা হয়েছে যখন স্বামী-স্ত্রীর একে অন্যের দিকে দৃষ্টি পড়বে তখন খুশ নজর থাকা কর্তব্য ।আজকাল আধুনিকতার যুগে নারীরা স্বামীর অজান্তে নোংড়ামী ভোগ ,বিলাসিতা, কামও প্রেম নিয়ে বিভোর হয়ে থাকে। একদিন যিনি বিভোর ছিলেন যৌবনের দিকে পরে তিনি হয়ে যান মাতা-পিতা, ভাই বোনের বোঝা।
.
নারী ইজ্জতের সংরক্ষণ করতে পারলে তিনি হবেন সবার কাছে প্রিয় ও সম্মানের পাত্রী। মেশকের ন্যায়,তাঁর কাছ থেকে সুবাস ছড়াতে থাকবে,তাঁর উদরের সন্তানেরা হবে সম্মানের অধিকারী,যোগ্য মায়ের যোগ্য সন্তান।স্বামীর কাছে স্ত্রীর হক হলো স্ত্রীর পাপ্য আদায় করা,স্ত্রীর প্রয়োজনীয় সামগ্রী সাধ্যনুসারে যোগিয়ে রাখা।স্বামী যা পরবে স্ত্রীকে ও তা পরাবে, স্বামী যা খাবে স্ত্রীকে ও তা খাওয়াবে ইত্যাদি মনে রাখতে হবে। কিয়ামত দিবসে উভয়কেই প্রত্যেকের দায়িত্ব্য সম্পর্কে আল্লাহর কাছে আসামির কাটগড়ায় দাঁড়িয়ে জবাব দেহি করতে হবে এবং প্রত্যেকে সৎ কর্ম ও অসৎ কর্মের ফলাফল ভোগ করতে হবে সেদিন আল্লাহ কারো উপর জুলুম করবেন না।
Subscribe to:
Comments (Atom)
-
আব্দুর রহমান মাদানী......... →মাদরাসা পড়ুয়া মেয়ে বিয়ে করবেন কেন? মাদরাসা পড়ুয়া ছেলেদের প্রতি মাদরাসা পড়ুয়া মেয়েদের হৃদয়ের...
-
নিজস্ব প্রতিবেদন ঃ রেদওয়ান আহমদ *বিয়ানীবাজারে জামিয়া ক্বাসিমুল উলূম মেওয়া মাদরাসায় খতমে বোখারী অনুষ্ঠিত; শেষ দরস প্রদান করলেন, খলিফায়ে...
-
ফখরে বাঙ্গাল তাজুল ইসলাম রহ. : জীবন ও কর্ম আকাবির-আসলাফ, ইতিহাস ঐতিহ্য Leave a comment তাঁর মূল নাম তাজুল ইসলাম। পিতার নাম মাওলানা...













