Friday, August 31, 2018

আইকন মেডিকেল  গ্রুপ এর আজকের মতবিনিময় সভা সম্পন্ন
বিষয় হল আগামী শুকরবার বাদ জুম'আ বিয়ানীবাজার উপজেলার আইকন মেডিকেল গ্রুপের কাউন্সিল দক্ষিন  বিয়ানীবাজার জনতা মার্কেট এর ২য় তলায় এতে আপনার সবাই আমন্ত্রিত

যারা উপস্হিত ছিলেন
Abdullah Cjb
Hifzul Amin Khan
Monjurul Hasan
সুহেল আহমদ
জাকারিয়া বকর
তারেক আল হাসান
নুরুল আমিন
Hamidul Haque Amdad
Joynulislam Jumon Cjb
জামাল উদ্দিন
প্রমুখ

Thursday, August 30, 2018

বিয়ানীবাজার উপজেলা ও পৌর ছাত্র জমিয়তের ঈদ পুনর্মিলনী ও সংবর্ধনা সভা সম্পর্ন বিয়ানী বাজার উপজেলা ও পৌর শাখার উদ্দ্যোগে প্রবাসি সংবর্ধনা ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

৩০ আগস্ট বৃহস্পতিবার উপজেলা জমিয়ত অফিসে উপজেলা ছাত্র জমিয়তের সভাপতি হাফিজ মারুফুল হাসানের সভাপতিত্বে ও বিয়ানীবাজার পৌর ছাত্র জমিয়ত সেক্রেটারি শরীফ অাল হাসানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে মহাগ্রন্থ কালামে পাক থেকে তেলাওয়াত করেন মাথিউরা ইউপি ছাত্র জমিয়ত সেক্রেটারি হাফিজ মনসুর আহমদ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা ছাত্র জমিয়ত সেক্রেটারি দিলাওয়ার হোসাইন।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা ছাত্র জমিয়তের সভাপতি ফরহাদ অাহমদ।
সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউরোপের সহসেক্রেটারী অালহাজ্ব জামিল বদরুল। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুব জমিয়ত সভাপতি তোফায়েল অাহমদ, উপজেলা জমিয়তনেতা মাওলানা ওয়ালি উল্লাহ, যুবনেতা এম এ,হাসান।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জিয়া উদ্দীন ,এম মামুন, মুল্লাপুর ইউপি ছাত্র জমিয়ত সভাপতি মাওলানা জয়নুল অাবেদিন,
কুড়ার বাজার ইউনিয়ন সভাপতি সাহেদ অাহমদ,
লাউতা ইউনিয়ন সভাপতি মুফতি অাব্দুল্লাহ অাল মামুন,চারখাই ইউনিয়ন সহসভাপতি অাব্দুল বাসিত, তিলপারা ইউনিয়ন সেক্রেটারি নুরুল অালম, মুল্লাপুর ইউনিয়ন সেক্রেটারি অাব্দুল্লাহ মামুন, উপজেলা ছাত্র জমিয়তের জয়েন্ট সেক্রেটারী ওয়াহিদুর রাহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ অাব্দুল্লাহ,মাদরাসা বিষয়ক সম্পাদক সুহাইল অাহমদ,সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক অাবু বকর শাবেল, পাঠাগার সম্পাদক কামরুল হক,সহ-প্রচার সম্পাদক জাহেদ অাহমদ,বিয়ানীবাজার পৌর ছাত্র জমিয়ত জয়েন্ট সেক্রেটারি মন্জুরুল হাসান,
সাংগঠনিক সম্পাদক অাবুল কালাম,সাহিত্য সম্পাদক হাফিজ সালাহ উদ্দিন,সমাজসেবা সম্পাদক অাসাদুজ্জামান, প্রচার সম্পাদক সুলতান হোসাইন,পৌর দক্ষীনের প্রতিনিধি রেদওয়ান অাহমদ,অাব্দুল্লাহ রাহাত,হাফিজ সাদিক অাহমদ,
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিয়ানীবাজার কলেজ শাখা সেক্রেটারী সাইফুর রহমান, মুল্লাপুর প্রতিনিধি মাওলানা শফিউর রাহমান খান,দুবাগ প্রতিনিধি জাহেদ, মুড়িয়া প্রতিনিধি তারেক অাল হাসান,অাশরাফুল ইসলাম টিপু,চারখাই প্রতিনিধি জাফর সরওয়ার,কুড়ার বাজার প্রতিনিধি হাফিজ সালমান,সাহেদ অাহমদ,রেজওয়ান অাহমদ অামানী,ইবরাহিম খলিল,প্রমুখ।
সংবর্ধিত অথিতিকে বিয়ানীবাজার ছাত্র জমিয়ত নেতৃবৃন্দ সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন।
সভার শেষলগ্নে মরহুম জমিয়তনেতা মাওলানা হোসাইন অাহমদ বারোকুটি রহ.এর রূহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।


আলহামদুলিল্লাহ সুন্দর ও সুষ্টভাবে সম্পন্ন হলো বানীগ্রাম বিজনেস এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে ও আইকন মেডিকেল গ্রুপের পরিচালনায় ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্নয় কার্যক্রম।

Wednesday, August 29, 2018



এক গ্রামে একজন কৃষক ছিলেন.. তিনি দুধ থেকে দই ও মাখন তৈরি করে বিক্রি করতেন। একদিন কৃষকের স্ত্রী মাখন তৈরি করে কৃষককে দিলেন বিক্রি করতে। কৃষক তা বিক্রি করার জন্য গ্রাম থেকে শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হলেন। মাখনগুলো গোল-গোল রোল আকৃতিতে রাখা ছিল। যার প্রত্যেকটির ওজন ছিল ১ কেজি করে। শহরে পৌঁছে কৃষক প্রতিবারের ন্যায় পূর্ব নির্ধারিত দোকানে মাখনগুলো দিয়ে পরিবর্তে চা চিনি তেল ও তার সংসারের প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি নিয়ে আসতেন।
আজ কৃষক চলে যাওয়ার পরে দোকানদার মাখনের রোলগুলো একটা একটা করে ফ্রিজে রাখার সময় ভাবলেন মাখনের ওজন সঠিক আছে কিনা আজ একবার পরীক্ষা করে দেখা যাক। মাখনের রোলগুলো ওজন করতেই উনি দেখলেন মাখনের ওজন আসলে ১ কেজি নয় তা প্রতিটা আছে ৯০০ গ্রাম করে।
পরের সপ্তাহে আবার কৃষক উক্ত দোকানে মাখন বিক্রি করতে গেলেন। দোকানের সামনে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে দোকানদার কৃষকের উদ্দেশ্যে চিৎকার করে বলতে লাগলেন.. 'বেরিয়ে যাও আমার দোকান থেকে। এবার থেকে কোন বেঈমান চিটিংবাজের সাথে ব্যাবসা কর। আমার দোকানে আর কোনদিন পা রাখবে না। ৯০০ গ্রাম মাখন ১ কেজি বলে বিক্রি করা লোকটার মুখ আমি দেখতে চাইনা।”
কৃষক বিনম্রভাবে কম্পিত স্বরে দোকানদারকে বললেন- ”দাদা! দয়া করে রাগ করবেন না। আসলে আমি খুবই গরিব মানুষ.. দাড়িপাল্লার বাটখারা কেনার মতো পয়সা আমার নেই.. তাই আপনার থেকে প্রতিবার যে এক কেজি করে চিনি নিয়ে যেতাম.. সেটাই দাড়িপাল্লার একপাশে রেখে অন্য পাশে মাখনের রোল মেপে নিয়ে আসতাম।”
শিক্ষণীয় বিষয়:
আপনি অপরকে যেটা দেবেন.. সেটাই পরে আবার আপনার কাছে ফিরে আসবে.
.তা সেটা সম্মান হোক বা ঘৃণা...

Tuesday, August 28, 2018

আলোর বাতিঘর..................

জীবন থেকে নেওয়া
(১) সময়ের সাথে সাথে মানুষের আসল চরিত্র প্রকাশ পায়।
(২) আত্মহত্যা করা যদি সহজ এবং মারাত্মক কবীরাহ গুনাহ না হত; তাহলে দুনিয়ার কত যে মানুষ স্বেচ্ছায় মৃত্যুকে বেছে নিত! দুনিয়া যতই তিক্ত হোক, মুমিনরা পরকালের আশায় ধৈর্য্য ধারণ করে এবং নেক আমলের চেষ্টা করে। কাফির, মুশরিক ও নাস্তিকরা পরকালের আশা করেনা, একারণে তাদের মাঝে আত্মহত্যার প্রবণতা বেশি।
(৩) বিপদে পড়লে শয়তানও আল্লাহর কাছে দুয়া করে। পানিতে পড়ে মৃত্যুর সময় ফিরাউন "আমি মুসা (আ'লাইহি ওয়া সাল্লামের) রব্বের প্রতি ঈমান আনলাম" - এই কথা বলেছিলো। অনুরূপভাবে, কঠিন অসুখে হাসপাতালের বিছানায় পড়ে অনেক নাস্তিকও অহংকার ভুলে আল্লাহকে ডাকা আরম্ভ করে। তবে আল্লাহ অনেক মহান, ক্ষমাশীল ও ধৈর্য্যের অধিকারী। বান্দা যতই গুনাহগার হোক, পশ্চিম দিকে সূর্য উঠা বা কারো আত্মা গরগরা পর্যন্ত চলে না আসার পূর্ব পর্যন্ত আন্তরিক তোওবা করলে তিনি সবার ডাকেই সাড়া দেন।
(৪) সময় যত যাবে ক্রমান্বয়ে আলেমদের মৃত্যুর মাধ্যমে আলেমদের সংখ্যা কমতে থাকবে। অনুরূপভাবে, উম্মতের সাধারণ মানুষের মাঝে একে একে ভালো মানুষগুলো চলে যাবে, বাকী থাকবে শুধু নষ্ট, পচা আর অপদার্থ মানুষগুলো। মানুষ যখন নষ্ট হয়ে যাবে তখন যারা নিজেদেরকে পবিত্র করবে, তারাই হচ্ছে প্রকৃত সফলকাম।
(৫) পাপ হচ্ছে কারেন্ট জালের মত, একবার আটকা পড়লে বেড়িয়ে আসা খুব কঠিন। মানুষের এক পাপ বহু পাপ ডেকে আনে। পাপ হচ্ছে বিষের মতো, আন্তরিক তোওবা হচ্ছে তার চিকিতসা।
(৬) অনেকে নামাযী মুসলমান ভাইয়েরাও অপ্রয়োজনে নিজের, নিজের স্ত্রী ছেলে-মেয়েদের ছবি তুলে, অথচ বিশুদ্ধ মত অনুযায়ী প্রয়োজন ছাড়া ক্যামেরা বা মোবাইলে ছবি তোলা জায়েজ নয়। দেখা যায় তাদের কেউ কম্পিউটারে, মোবাইলে স্ত্রী বা মেয়ের ছবি ওয়ালপেপার দিয়ে রাখে, প্রিন্ট করে ঘরে ঝুলিয়ে রাখে, ফেইসবুকে আপলোড দেয়, মানিব্যাগে নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। এইভাবে তার আশে-পাশের পুরুষেরা তাদের ঘরের নারীদেরকে দেখতে পাচ্ছে অথচ তার কোন হুশ নেই। যেই পুরুষের মাঝে নিজের ঘরের নারীদের জন্য ঘীরাহ (zealousy) নেই, তার ঘরের নারীদের মান-ইজ্জত থাকেনা।
(৭) দুনিয়াতে আসার সিরিয়াল আছে, যেমন বাবা-মায়ের পরে ছেলে-মেয়ে, ছেলে-মেয়ের পরে নাতি-নাতনী। কিন্তু দুনিয়া থেকে যাওয়ার কোন সিরিয়াল নেই। অনেক বাবা/মায়ের মৃত্যুর পূর্বেই তাদের ছেলে-মেয়ে দুনিয়া ছেড়ে চলে যায়। দুনিয়াতে সবচাইতে খারাপ সংবাদ হচ্ছে মায়ের কাছে তার সন্তানের মৃত্যুর সংবাদ। দুনিয়াতে সবচাইতে ভারী বোঝা হচ্ছে বাবার কাঁধে পুত্রের লাশ।
(৮) নিজের স্ত্রী, ছেলে-মেয়েদেরকে একটু ভালো(!) রাখার জন্য কত যে মানুষ মিথ্যা কথা বলে, অন্যকে ধোকা দিয়ে, অন্যের সম্পদ নয়-ছয় করে, আত্মসাত করে বা কেড়ে নেয়। অথচ, যাদের জন্য সে পাপ করছে, কিয়ামতের দিন তাদের কেউ-ই তার পাপের ভাগ নিতে রাজী হবেনা, বরং তার পাপের জন্য তাকে ধিক্কার দেবে।
(৯) মিথ্যা কথা বলে সাময়িকভাবে পার পাওয়া যায়, কিন্তু আখেরে বিপদে পড়তে হয়। সততা-ই হচ্ছে সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা।
(১০) অলসতা, উদাসীনতা, নিজ কাজে বিলম্ব করা অনেক মানুষকে উচ্চ মর্যাদা অর্জন থেকে বঞ্চিত করে।
(১১) দুনিয়া কঠিন জায়গা, ফেইসবুক, ইন্টারনেটের জগত আরো নিকৃষ্ট।
(১২) নামায ত্যাগ করা কুফুরী। সুতরাং, বেনামাযী সে যেই হোক, এমন লোক কক্ষনো ভালো মানুষ হতে পারেনা।
(১৩) যারা শিরক এবং কুফুরীতে লিপ্ত হয়, তাদের মানুষত্ব লোপ পেয়ে লজ্জাহীন, হিংস্র পশুর মতো হয়ে যায়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যেই মেয়েটার পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়েছে, তার উপর আক্রমনকারী সন্ত্রাসী মেয়েটাকে নির্দোষ প্রমান করার জন্য গণতান্ত্রিক কুফুরী রাজনীতিতে লিপ্ত ছাত্রলীগের শীর্ষস্থানীয় নেতা-কর্মীরা উঠে-পড়ে লেগেছে।
- ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাস্মীরের একটি গ্রাম থেকে মুসলমানদেরকে ভয় দেখিয়ে উচ্ছেদ করার জন্য মাত্র ৮ বছরের শিশু আসিফাকে ঘুমের বড়ি খাইয়ে, দিনের পর দিন পূজার ঘরে বন্দী রেখে, পুলিশকে সাথে নিয়ে গণধর্ষণে লিপ্ত হওয়া হিন্দু নরপশুদের বাচানোর জন্য সেখানকার হিন্দু মন্ত্রী, এমপি, পুলিশ, কোর্ট, অনেক বিবেকহীন হিন্দুরা মিলে নির্লজ্জের মতো একযোগে কাজ করে যাচ্ছে।
আজ সমস্ত কাফির-মুশরিকরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে যুদ্ধ করছে। আর মুসলমানেরা ক্বুরআন, সুন্নাহ থেকে দূরে সরে গিয়ে পাপে লিপ্ত হয়ে, প্রবৃত্তির অনুসারী হয়ে, নিজেরা নিজেরা ঝগড়া করে দুর্বল হয়ে গেছে। আল্লাহু মুস্তায়া'ন।

Monday, August 27, 2018


স্ত্রীর আবদার,স্বামীর প্রতিকার!!
আলোর বাতিঘর.............
===================

একজন শিক্ষিতা মেয়েকে বিয়ে করলেন এক ধার্মিক যুবক।
বিয়ের প্রথম রাতেই স্ত্রী স্বামীকে বললেন, আমরা আমাদের দাম্পত্য জীবন ইসলামিক শরীয়াহ মোতাবেক পরিচালনা করবো ইনশা’আল্লাহ।
স্বামী তার নববিবাহিতা স্ত্রীর প্রস্তাবে
#আব্দুল্লাহ্_আল_মিসবাহ্ অানন্দিত হলেন।করাণ,তিনি এমন একজন স্ত্রী-ই কামনা করছিলেন।
বিয়ের কিছুদিন পর স্ত্রী স্বামীর কাছে দাবি করলেন, শরীয়াহ মোতাবেক আপনি আমাকে আলাদা বাসায় রাখতে বাধ্য। এবং আমি আপনার বৃদ্ধ পিতা-মাতার
সেবা বা দেখাশোনা করতে বাধ্য নই। সুতরাং আমার জন্য আলাদা বাসা দেখুন।আমি এই বাসায় আর থাকছিনা।
স্বামী বেচারা মসিবতে পড়ে গেলেন।
অনেক ভেবে চিন্তে দৌড়ে গেলেন মুফতী সাহেবের কাছে।
বললেন,হুজুর এই অবস্থা!
হুজুর বললেন, এটা একটা সমস্যা হলো!
শুনুন, আপনার স্ত্রী যা বলেছেন তা সত্যি।কিন্তু যেই শরীয়াহ আপনার স্ত্রীকে এই অধিকার দিয়েছে, সেই একই শরীয়াহ আপনাকে প্রয়োজনে আরো ৩টি বিয়ে করার অনুমতিও দিয়েছে।আপনি চাইলে আরেকটি বিয়ে করে ঐ স্ত্রীকে বাসায় রেখে দিতে পারেন।যিনি কিনা আপনার মাতাপিতার
দেখাশোনাও করবেন, আবার এই বাসায়ও থাকবেন।স্বামী চমৎকার সলিউশন পেয়ে গেলেন।
বাসায় ফিরেই তিনি স্ত্রীকে জানিয়ে দিলেন সাফ কথা।
প্রিয়তমা!
আমি তোমার সব শর্ত পূরণে রাজি।
আলাদা বাসা তুমি ঠিকই পাচ্ছো।
এ কথা শুনে স্ত্রী খুশীতে গদগদ হয়ে উঠলেন।
এবার স্বামী একটু গম্ভীর মোডে বললেন, কিন্তু ইসলামের অধিকার অনুযায়ী আমি আরো ৩টি বিয়ে করার অধিকার রাখি।
আমি ঠিক করেছি অাপাততঃ অারেকটি বিয়ে করে বাসায় রেখে দিব এবং সে-ই অামার আব্বু-আম্মুর সেবা করবে!
এ কথায় স্ত্রী ধাক্কা খেয়ে বলে উঠলেন,মাই সুইটহার্ট! বাদ দাওতো দ্বিতীয় বিয়ের চিন্তা।তোমার মা-বাপ কী,অার অামার মা-বাপ কী?
আমিই অামার শ্বশুড়-শ্বাশুড়ির খেদমত করবো ।এটা হাক্কুল ইবাদ বা বান্দার হক্ব।
অার সত্যিই কী অামি অালাদা বাসা চাইছি?
তুমি না ঢংও বুঝোনা!???
ফখরে বাঙ্গাল তাজুল ইসলাম রহ. : জীবন ও কর্ম

 আকাবির-আসলাফ, ইতিহাস ঐতিহ্য
 Leave a comment
তাঁর মূল নাম তাজুল ইসলাম। পিতার নাম মাওলানা আনোয়ার আলি । তিনি ১৩১৫ হিজরি মোতাবেক ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ভুবন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
শিক্ষাজীবন
দশ বছর বয়সে প্রথমে তাকে নিজ গ্রাম ভুবন-এর পার্শ্ববর্তী এক স্কুলে ভর্তি করানো হয়। মাত্র নয় মাসে তিনি ৬ষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত সব বই মুখস্থ করে ফেলেন। তার এ বিষ্ময়কর মেধার পরিচয় পেয়ে তিনি তাকে মাদরাসায় ভর্তি করানোর সিদ্ধান্ত নেন। সে মোতাবেক তার পিতা তাকে ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার উপকন্ঠে অবস্থিত শ্রীঘর মাদরাসায় ভর্তি করিয়ে দেন। এখানে কিছুকাল পড়াশোনা করার পর তিনি সিলেটের বর্তমান হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল মাদরাসায় ভর্তি হন। বাহুবল মাদরাসায় তিনি কয়েক বছর অধ্যয়ন করেন।
বাহুবল মাদরাসা থেকে যথাসময়ে সুনামের সাথে উত্তীর্ণ হয়ে মাওলানা সাহেব তদানীন্তন বাংলা আসামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সিলেটের মাদরাসা আলিয়ায় গিয়ে ভর্তি হন। ১৩৩৭-৩৮ হিজরি ফাজিল ফাইনাল পরীক্ষায় তিনি প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করে উত্তীর্ণ হন।
১৩৩৮ হিজরিতে তিনি বিশ্ববিখ্যাত আরবি বিশ্ববিদ্যালয় দারুল উলুম দেওবন্দে ভর্তি হন। এখানে তিনি মোট চার বছর পড়াশোনা করেন। দারুল উলুমে তিনি হাদিস, তাফসির, ফিকহ, আকাইদ ও আরবি সাহিত্য অধ্যয়ন করেন। এখানে শিক্ষাজীবনে তার বিষ্ময়কর মেধাশক্তির বিকাশ ঘটেছিল। এখানে প্রতিটি পরীক্ষায় তিনি সর্বোচ্চ নম্বর পেতেন। এ সময় তিনি সনদসহ কয়েক হাজার হাদিস ও ফিকহের বিখ্যাত গ্রন্থ আল-হিদায় সম্পূর্ণ মুখস্থ করেন। দেওবন্দে তার পৃষ্ঠাপোষক ও বিশেষ শিক্ষক ছিলেন তদানীন্তন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আলেম যুগের ইমামখ্যাত আল্লামা আনোয়ার শাহ কাশমিরি রহ. (১৮৭৫-১৯৩৩)।
বিবাহ ও পারিবারিক জীবন
মাওলানা তাজুল ইসলাম পাঁচ ভাই ও এক বোনের মধ্যে সবার বড় ছিলেন। তিনি উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ কেরাত বিশেষজ্ঞ ও বাংলণাদেশে ইলমে কেরাতের প্রবর্তক উজানীর কারী ইবরাহিম সাহেবের তৃতীয় কন্যাকে বিবাহ করেছিলেন। এ স্ত্রী থেকে তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে জন্মগ্রহণ করেন। প্রথম সন্তান ফাতেমাকে বিযে দেন চাঁদপুর এলাকার মাওলানা মুদদাসসির রহ. এর সঙ্গে। তার বড় ছেলের নাম ছিল আব্দুল্লাহ। তিনি মজ্জুব প্রকৃতির লোক ছিলেন। দ্বিতীয় ছেলের নাম হাফেজ হাবিবুল্লাহ। প্রথম স্ত্রীর ইন্তেকালের পর তিনি সরাইল থানার দেওরা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে দ্বিতীয় বিবাহ করেন। এ স্ত্রীর দুই ছেলে ও এক মেয়ে জন্ম গ্রহণ করে। প্রথম ছেলের নাম হাফেজ ইমদাদুল্লাহ আর দ্বিতীয় ছেলের নাম হাফেজ ওয়ালি উল্লাহ। মেয়ের নাম নাসিমা খাতুন।
কর্মজীবন
দেওবন্দ ফারেগ আলেমগণ শিক্ষা সমাপনান্তে নিজ দেশে ফিরে এসে দীনি ইলমের খেদমত ও মাদরাসা প্রতিষ্ঠাকে নিজের দায়িত্ব বলে মনে করতেন। ১৯৫০ এর দশকে তদানীন্তন শিক্ষামন্ত্রী তাঁকে ঢাকা আলিয়া মাদরাসার সদরুল মুদাররিসিন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপকের পদ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেছিলেন। এছাড়াও অনেক বড় বড় চাকুরির প্রস্তাব এসেছিল। কিন্তু সেগুলো প্রত্যাখান করে তিনি আরবি ও ইসলামি শিক্ষা বিস্তারেই আত্ননিয়োগ করেছিলেন। ১৩৪২ হিজরিতে দেওবন্দ থেকে ফিরে এসে তিনি প্রথমে ঢাকায় এবং পরে কুমিল্লাস্থ জামিয়া মিল্লিয়ায় (বর্তমান কাসিমুল উলুম মাদরাসা) শাইখুল হাদিস হিসেবে ইলমে খেদমত শুরু করেন। এই সময়ে এক পর্যায়ে তিনি কলকাতা আলিয়া আদরাসায়্র কিছু দিন ইলমে হাদিসের অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেন।
ব্রাক্ষণবাড়িয়ার জামিয়া ইউনুসিয়ার প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ইউনুস রহঃ এর সবিশেষ অনুরোধে তিনি ১৩৪৫ হিজরিতে ব্রাক্ষণবাড়িয়ার জামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষের পদ গ্রহণ করেন। ইন্তেকাল পর্যন্ত সুদীর্ঘ ৪২ বছর তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এ দায়িত্ব পালন করেন।
বৃহত্তর পরিসরে সমাজসেবার জন্য রাজনীতিতে প্রবেশ
ফখরে বাঙ্গাল মাওলানা তাজুল ইসলাম রহঃ বৃহত্তর পরিসরে সমাজসেবা , ইসলামি শাসনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং আরবি ও ইসলাম শিক্ষা বিস্তারের প্রেরণা নিয়ে তিনি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হন। জমিয়তে ওলামায়ে হিন্দের তিনি একজন নিঃস্বার্থ কর্মী ও নেতা ছিলেন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার জন্মলগ্নে তিনি তদীয় শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাব্বির আহমদ ওসমানি রহঃ এর পরামর্শে জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামে যোগদান করে পাকিস্থান আন্দোলনে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। পূর্ব পাকিস্তানে সর্বপ্রথম তিনি ও হযরত মাওলানা আতাহার আলি রহঃ বিরোধী দল হিসেবে পূর্ব পাকিস্তানে জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম ও নিযামে ইসলাম পার্টি গঠন করেন। তদানীন্তন স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে তিনি ওলামায়ে কেরামকে নিয়ে তুমুল আন্দোলন গড়ে তোলেন। তাদের এই আন্দোলনের ফলে আদর্শ প্রস্তাব গৃহীত হয়। ১৯৫৪ সালে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্টের মাধ্যমে নির্বাচনে তিনি বিপুল অবদান রাখেন। এই নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান পরিষদে নিযামে ইসলাম পার্টি ৩৬টি আসন লাভ করে। আল্লামা তাজুল ইসলাম পূর্ব পাকিস্তান জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম ও নিযামে ইসলাম পার্টি এবং পরে নিখিল পাকিস্তান নিযামে ইসলাম দলের সহ সভাপতি পদে আসীন ছিলেন। সিলেট রেফারেন্ডামেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
সমাজ সংস্কার ও সমাজসেবায় মাওলানার ভূমিকা
বেদাআত ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন। সমাজে প্রচলিত মিলাদ কিয়াম ও তথাকথিত মারেফাতের নামে ভন্ড ফকিরদের নানাবিধ বিরুপ প্রচারনার বিরুদ্ধে তিনি কার্যকরি ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন। ব্রাক্ষণবাড়িয়া শহর থেকে পতিতালয় উচ্ছেদ ও পতিতাদের পুনর্বাসন তার এক উল্লেখযোগ্য কীর্তি। তার পরামর্শ ও তত্ত্ববধানে ব্রাক্ষণবাড়িয়া শহরের পূর্বাঞ্চলে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে একটি খাল খনন করা হয়েছিল। যা এন্ডারসন খাল নামে পরিচিত। এ খালের মাধ্যমে ব্রাক্ষণবাড়িয়া শহর জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হয়।
কাদিয়ানি বিরোধী সংগ্রামে ফখরে বাঙ্গাল রহ.
সিংহপুরুষ আল্লামা তাজুল ইসলাম দেওবন্দ মাদরাসায় অধ্যয়নকালিন সময় থেকেই কাদিয়ানিদের বিরুদ্ধে বহস ও মোনাজারা শুরু করেন। কুরআন-হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে এবং প্রামাণ্য দলিল প্রমাণের আলোকে তিনি কাদিয়ানিদেরকে পরাজিত করতেন। খোদ ব্রাক্ষণবাড়িয়া শহরে অনুষ্ঠিত এক বাহাসে ফখরে বাঙ্গালের অকাট্য যু্িক্ত ও প্রমাণের সামনে টিকতে না পেরে পাঞ্জাব থেকে আগত কাদিয়ানি মৌলভিরা সভায় তাদের কিতাবপত্র রেখে পালিয়ে যায়। এমন ঘটনা ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় বহুবার ঘটেছে। এভাবে কাদিয়ানি বিরোধী অভিযানের ফলে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে দলে দলে লোক আবার ইসলামের ছায়াতলে ফিরে আসে।
ইসলামি শিক্ষার প্রসারে তাঁর অবদান
মাওলানা নিজে আরবি ভাষায় সুপন্ডিত ও অনুপম কাব্য-প্রতিভার অধিকারী ছিলেন। আল্লাহ তাআলা তাকে এমন বিষ্ময়কর মেধা দান করেছিলেন যে, ছাত্রজীবনেই তিনি সুন্দর সুন্দর ও উঁচুমানের আরবি কবিতা অনায়াসেই রচনা করে ফেলতেন। তিনি যখন ‘দিওয়ানে আলি’ পড়তেন তখন দিওয়ানে আলির সমপর্যায়ের কবিতা তিনি সহজেই মুখে মুখে রচনা করে শুনিয়ে দিতেন। দারুল উলুম দেওবন্দে অধ্যয়নকালে (১৩৩৮-৪২হিজরি) একবার তিনি আরবি কবিতার মাধ্যম কাদিয়ানিদের বিরুদ্ধে বহস করেন। এ বহসে তিনি ৭০ টি আরবি কবিতা শ্লোক) রচনা করে তাদের দাঁতভাঙ্গা জবাব প্রদান করেন। মাওলানার বিরল এ আরবি জ্ঞান ও কাব্যপ্রতিভা বিকশিত করার জন্য তিনি মাদরাসায় অধ্যাপনার পাশাপাশি অনেক মাদরাসাও প্রতিষ্ঠা করেন। এখানে তার হাতে গড়া কয়েকজন খ্যাতিমান আরবি ও ইসলামি শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তির নাম ও তাদের কর্মক্ষেত্র উল্লেখ করা হলো যারা বিভিন্ন অঙ্গনে এবং জাতীয় জীবনে বিরাট অবদান রেখেছেন।
ইসলামি অনুশাসন পালনে প্রজ্ঞা ও সাহসিকতা
একবার ব্রাক্ষণবাড়িয়া মহকুমা প্রশাসক শহরের নিয়াজ পার্কে এক আনন্দ মেলা অনুষ্ঠানের বিজ্ঞাপন মহকুমাব্যাপী প্রচার করেন। মাওলানা তাজুল ইসলাম সাহেব তখন এর বিরুদ্ধে পাল্টা বিজ্ঞাপন প্রচার করেন। ঘটনাক্রমে একদিন এক অনুষ্ঠানে মহকুমা প্রশাসক ও তাজুল ইসলাম সাহেব মিলিত হলেন। মহকুমা প্রশাসক কথা প্রসঙ্গে মাওলানা সাহেবকে বললেন- মাওলানা, আপনার তো অনেক সাহস আপনি সরকারি আদেশের বিরুদ্ধে বিজ্ঞাপন প্রচার করেছেন। মাওলানা সাহেব সাথে সাথে জবাজ দিলেন- আপনার এতো স্পধা যে, সকল সরকারের বড় সরকার আল্লাহ্ পাকের বিরুদ্ধে লিফলেট প্রকাশ করেছেন। প্রশাসক মহোদয় এ জবাব শুনে একেবারে থ বনে যান।
আরেক দিনের ঘটনা। পাকিস্তানের তৎকালিন প্রদানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দি ১৯৫৭ সালে একবার ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় এসেছিলেন। কথা প্রসঙ্গে তিনি ফখরে বাঙ্গালকে বললেন- ‘মাওলানা সাহেব আপনারা রাজনীতি করেন কেন? আলেম বুজুর্গ মানুষ মাদরাসা মসজিদে বসে বসে আল্লাহর নাম ইয়াদ করবেন। আপনারা রাজনীতির কী বুঝেন?’ এ ব্যাঙ্গাত্মক মন্তব্যে ফখরে বাঙ্গাল বাঘের গর্জে ওঠে বললেন- ‘মিস্টার সোহরাওয়ার্দি আপনাদের রাজনীতির দৈর্ঘ কত? এ প্রশ্ন শুনে সোহরাওয়ার্দি তো একেবারে হতবাক। উত্তরের উপক্ষে না করে ফখরে বাঙ্গাল নিজেই জবাব দিলেন- আপনাদের রাজনীতির দৈর্ঘ মাত্র সাড়ে তিন হাত আর আমাদের রাজনীতির দৈর্ঘ দুনিয়া থেকে আখেরাত পর্যন্ত বিস্তৃত।
ফখরে বাঙ্গালের ইন্তেকাল
মহান রব্বুল আলামিনের ডাকে সাড়া দিয়ে ১৯৬৭ সালের ৩রা এপ্রিল মোতাবেক ১৩৭৩ বঙ্গাব্দে ২০ চৈত্র রোজ সোমবার ৭১ বছর বয়সে এ আদর্শ সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী, আরবি ও ইসলামি শিক্ষার একনিষ্ঠ পৃষ্ঠপোষক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার ইন্তেকালে ব্রাক্ষণবাড়িয়া থেকে প্রকাশিত মাসিক ভেলা পত্রিকায় বিশেষ সম্পাদকীয় নিবন্ধ ছাপা হয়েছিল।
অবুঝ মেয়ে হুমায়রা


বিয়ের পর খেয়াল করবে,
যদি তোমার স্ত্রী নিচের চৌদ্দটা কাজ
করে,
তাহলে ধরে নিবে সে এ যুগের শ্রেষ্ঠ
স্ত্রী।
:
একঃ যদি তোমার অবর্তমানে,
সে তোমার কথা আলোচনা
করতে,তোমার সম্পর্কে শুনতে
আগ্রহবোধ করে, অথবা তোমার মুখ
থেকে তোমার জীবনের গল্প শুনতে
ভালবাসে এবং তুমি যাদেরকে
ভালবাসো, সেও যদি তাদেরকে
ভালবাসে, তাহলে তুমি চোখ বুজে
ধরে নিতে পার, তুমি একজন স্বামী
সোহাগীনি (উরুবান) স্ত্রী পেয়েছ।
:
দুইঃ তুমি তার মতের বিপরীত কাজ
করলে, তার সাথে কোনও বিষয়ে
একমত না হলেও, সে যদি রাগ না
করে, গাল ফুলিয়ে না থাকে,
তাহলে ধরে নিবে তুমি একজন
ভাগ্যবান স্বামী।
:
তিনঃ তোমার হাসি-কান্না, সুখ-
দুঃখে সেও যদি সমব্যথী-সতীর্থ হয়,
তাহলে বোঝা যাবে সে একজন
স্বামীপরায়না স্ত্রী।
:
চারঃ যদি দেখ সে নিত্য নতুন বিষয়
নিয়ে তোমার সাথে কথা বলে,
বিষয় খুঁজে না পেলে, বানিয়ে
বানিয়ে হলেও ছুতো ধরে তোমার
সাথে কথা বলার উপায় খোঁজে,
তাহলে সে একজন স্বামী-অন্তপ্রাণ
স্ত্রী।
:
পাঁচঃ যখনই কোনও নতুন কাজ শুরু করে বা
গুরুত্বপূর্ণ কোনও সিদ্ধান্ত নেয়,
তোমার সাথে পরামর্শ করে।
তাহলে তুমি নিশ্চিন্ত থাকতে পার,
তুমি একজন পতিব্রতা স্ত্রী পেয়েছ।
:
ছয়ঃ যত কমদামিই হোক, তুমি তাকে
কোনও উপহার দিলে সে দু’হাতে
সে উপহার বড় মনে গ্রহণ করে। পরম
উৎফুল্ল হয়। তাহলে তুমি শুধু আদর্শ
স্ত্রীই পাওনি, একজন বুদ্ধিমতী
স্ত্রীও পেয়েছ।
:
সাতঃ যদি সে সব সময় তোমাকে
ভারমুক্ত রাখতে সচেষ্ট থাকে, আগ
বাড়িয়ে তোমার টুকিটাকি
কাজগুলো করে দেয়, তাহলে
তোমার ইহজীবনটা জান্নাতেই
কাটবে। চোখ বুজেই এটা মেনে
নিতে পার।
.
আটঃ তোমার অনুপস্থিতি যদি তাকে
উৎকণ্ঠিত করে রাখে, বারবার ফোন
করে, মেসেজ পাঠিয়ে তোমার
খোঁজ-খবর করে, তাহলে ধরে নাও,
তুমি একজন ফিরিশতাকে পেয়ে
গেছ।
:
নয়ঃ তুমি পছন্দ করো এমন কাজ যদি সে
আগ বাড়িয়ে করে এবং তুমি পছন্দ
করো না, এমন কাজ যদি সযত্নে
পরিহার করে চলে, তাহলে তুমি
নির্ভার থাক। তুমি সুখী একটা জীবন
কাটাতে যাচ্ছ।
:
দশঃ তোমার স্বভাবের বিশেষ দোষ-
ত্রুটি-খুঁত যদি তাকে বিরক্ত না করে,
রাগিয়ে না দেয়, তাহলে তুমি
সর্বকালের সেরা একজন বন্ধু পেয়ে
গেছ।
:
এগারঃ যদি সে তোমার জন্যে যে
কোনও ধরনের কষ্ট স্বীকার করতে এক
পায়ে প্রস্তুত থাকে, তাহলে সুখময়
একটা জীবনই তোমার সামনে
অপেক্ষা করছে।
:
বারঃ যদি সে তোমার চিন্তার
জগতে আগ্রহভরে অংশগ্রহণ করে,
যেসব বিষয়ে তোমার মনোযোগ
সেও যদি তাতে আগ্রহী হয়, তোমার
শখের বিষয়গুলোর প্রতিও সে যত্নবান
হয়, যদি তোমার কল্পনাজগতের
সাথেও সে একাত্ম হয়, তাহলে
তোমার চেয়ে সুখী ইহজগতে আর
কেউ হতে পারে না।
:
তেরঃ যদি সে তোমার জন্যে
ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কাজও লাজ-সংকোচ
ছাড়া করতে পারে, নিদ্বিধায়
করে ফেলে, তাহলে তোমার উচিত
আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করা।
:
চৌদ্দঃ যদি সে তোমাকে আল্লাহর
নৈকট্য অর্জনে, ইবাদত-বন্দেগীতে,
পাপম্ক্তু জীবন-যাপনে সহযোগিতা
করে, উৎসাহ যোগায়, তাহলে তুমি
এমন কিছু পেয়ে গেছো, যা
তোমাকে দুনিয়াতেও জান্নাতী
সুখের সন্ধান দিবে, আখিরাতেও
জান্নাতী জীবন লাভের নিশ্চয়তা
দিবে।
অবুঝ মেয় হুমায়রা...........................

ইমরান খানের নেতৃত্বে প্রথম মন্ত্রী সভার বৈঠকে নাস্তা ছিল চা ও বিস্কুট।
কোন মন্ত্রী সরকারী খরচে বিদেশে চিকিৎসা নিতে পারবেনা।
প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, এমপিসহ সরকারি কর্মকর্তাদের বিলাসবহুল চলাফেরার ইতি ঘটতে যাচ্ছে পাকিস্তানে। রাষ্ট্রের অর্থ বাঁচাতে কর্তা ব্যক্তিদের খরচ একেবারে নামকাওয়াস্তে রাখতে বদ্ধপরিকর ‌’নয়া পাকিস্তান’ এর স্বপ্ন দেখানো নতুন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।
ইতোমধ্যে তার শপথানুষ্ঠানে আগের প্রধানমন্ত্রীদের করা খরচের ২০০ ভাগের এক ভাগ খরচ করেছেন তিনি। ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের শপথানুষ্ঠানে ব্যয় হয়েছিল ৯২ লাখ রুপি, ২০০৮ সালে জারদারির অনুষ্ঠানের ব্যয় ছিল ৭৬ লাখ রুপি। সেখানে গত রোববার নিজের শপথানুষ্ঠান সেরেছেন মাত্র ৫০ হাজার রুপিতে!
এরপর জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রাসাদসম বাসভবনে থাকবেন না তিনি। এটি হবে বিশ্ববিদ্যালয়। তার জন্য রাষ্ট্রের বরাদ্দ ৫২৪ জন কর্মচারীর সবাইকে ছুটি দিয়ে রেখেছেন মাত্র ২ জনকে।
প্রধানমন্ত্রীর বাসবভনে থাকা ৮০টি গাড়ির মধ্যে দুটি বুলেটপ্রুফ গাড়ি রেখে বাকি ৩৬টি বুলেটপ্রুফ গাড়িসহ সবগুলো নিলামে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন।
বলেছিলেন মন্ত্রী, গভর্নরসহ অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাদের বেলায়ও একই নীতি গ্রহণ করবে তার সরকার। সোমবার প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে দেখা গেল তেমনই চিত্র, যা বহু বছরের অনুশীলনের সাথে একবারেই বেমানান! এদিন কয়েক ঘণ্টা বৈঠকের মাঝখানে বিস্কুট ছাড়া চা খাওয়ার সুযোগ পেলেন মন্ত্রীরা! অন্য কোনো খাবার তো দূরের কথা।
বৈঠকে ইমরান খান নতুন মন্ত্রীদেরকে অনুরোধ করেছেন যেন তারা তাদের এবং নিজেদের কার্যালয়ের দৈনন্দিন খরচ কমিয়ে আনেন। এছাড়া দৈনিক ১৪ ঘণ্টা কাজ করতে হবে বলেও জানান তিনি। নিজের ব্যপারে বলেন, আমি প্রতিদিন ১৬ ঘণ্টা কাজ করবো।
এছাড়া ইমরান বলেন, ঈদ না হলে কারো জন্যই কোনো ছুটি মঞ্জুর করা হতো না। ‘পরিবারের কথা ভুলে যেতে হবে’ বলেও মন্ত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন ক্রিকেট দলের অধিনায়ক থেকে সরকার প্রধানের দায়িত্ব নেয়া ইমরান।
রাকিব আল হাসান
Sakib Hossen Sakhawat ইঞ্জিনিয়ারস ডায়েরী -
Engineers Diary পরিবার
২০১৮ ফিফা বিশ্বকাপে সবচাইতে দামি জার্সিটি
ছিলো ইংল্যান্ডের। জার্সিটির প্রস্তুতকারক দেশ
ছিলো বাংলাদেশ। বাংলা টাকায় যার পরিমাণ ১৮০০০
টাকা। অথচ প্রতি জার্সিতে শ্রমিক মজুরি পেয়েছিল
মাত্র ২৩ টাকা।
গত সপ্তাহে যমুনা ফিউচার পার্কে দেখলাম এক জোড়া
দুই ফিতার স্যান্ডেলের দাম ১৮০০০ টাকা। জিজ্ঞেস
করলাম, কুমিরের চামড়া নাকি বাঘের চামড়া?
সেলসম্যান উত্তর দিলো, কোনটাই না। তারপর বললাম,
জুতার সাথে একটা সেলফি তুলি? বললো, জুতা কিনা
ছাড়া সেলফি তোলা যাবে না।
এই গেলো বৈদেশিক জুতার কাহিনী। দেশের জুতার
কাহিনী আসলেও একই অবস্থা। দেশীয় কোম্পানি
এপেক্সের স্যান্ডেলের দাম পাঁচ ছয় হাজার দামের
আছে, সু আছে দশ হাজারেরও বেশি দামের।
সেলসম্যানরা দাবি করেন একদম খাঁটি দেশীয় চামড়া
দ্বারা প্রস্তুতকৃত। অথচ এরকম খাঁটি দেশী গরুর চামড়ার
কোনো বেইল নাই। কোরবানির ৩ লাখ টাকার গরুর
চামড়া বিক্রি করছি মাত্র এবং কেবল মাত্র ২৪০০
টাকায়।
এটি একটি সাধারণ চিত্র মাত্র। দেশের সবকটি শিল্প
প্রতিষ্ঠানে মালিকপক্ষের লাভ এবং শ্রমিকের মজুরির
ব্যবধান ঠিক এতটাই। তাছাড়া কয়দিন পরপর টিভির
পর্দায় আর পত্রিকার পাতায় তো হরহামেশাই দেখা
যায়, শ্রমিকদের এত মাসের বেতন আটকে আছে অমুখ
গার্মেন্টসে, তমুখ শিল্প প্রতিষ্ঠানে। মুখে আমরা যতই
উন্নয়নশীল দেশ আর উন্নয়নের জোয়ার বলে ফেনা তুলি,
বাস্তবিকপক্ষে এসব শ্রমিক শ্রেণীর মানুষের ভাগ্যের
কোনো পরিবর্তন হয় না। তাদের জন্মই হয় মূলত শোষিত
হবার জন্য। শোষিত হতে হতে তারা একসময় কবরে পাড়ি
জমায়। সেখানে অবশ্য এমন বঞ্চনার হিসেব নেই...sahelradwanahmed@gmail.com

Wednesday, August 22, 2018

***মাদ্রাসার ঈদ বনাম বাড়ির ঈদ ***
*****ইকরামুল হক জাবের


#বাড়ির ঈদ#
দির্ঘ ৮ বছর পর কিছু কারণবসত এবছর পবিত্র ঈদুল আযহা বাড়িতেই উদযাপন করেছি/কাঠিয়েছি,(আসলে এখানে উদযাপন শব্দটা আমার জন্য বেমানন)
সারাদিন প্রায় বিছানায় কেঠেছে ভাববেন না অসুস্হ ছিলাম, আমি ঠিক সুস্হই ছিলাম কিন্তু মনটা বিষণ ভাল না লাগা ব্যাধিতে আক্রান্ত ছিল তাই............

সারকথা সকাল থেকে দুপুর, দুপুর থেকে সন্ধা, দিন শেষে আনন্দ নামক ফলাফলের খাতা অনেক কষাকষির পর আমারর আনন্দের ফলাফল শূণ্য,এবছর ঈদের খুশি তৃপ্তিকর ভাবে পরিপূর্ণতা লাভ করতে পারি নি,
অর্থাৎ এবছর ঈদে আমার কোন আনন্দ হয়নি!!!
তবে একটা আনন্দ আছে, এবছর নিজের পশু ক্বোরবানি নিজের হাতেই করেছি আলহামদুলিল্লাহ।

#মাদ্রাসার ঈদ#
প্রতি বছর ঈদের সময় বিশেষ ভাবে ঈদের আনন্দ আর ২দাপ বাড়ানোর জন্য প্রায় প্রত্যেক কওমি অঙ্গনে অনুষ্টিত হয় আনন্দ অনুষ্টান যে অনুষ্টান ছাত্রদের বাড়ির কথা ভুলিয়ে রাখতে সিমাহীন ভুমিকা রাখে।ছাত্রাবাসের নিজ নিজ রুমে মোটামুটি একটা পার্টি হয় রোম মেটদের সাথে,সেটা ও কম ভুমিকা রাখেনা,এটা আমাদের বোডিংয়ে থাকা ছাত্রদের জাতিগত অধিকার, এ অধিকার শুধু ঈদে নয় ঈদ ছাড়া ও আমরা আদায় করি। আনন্দের মধ্যে সবচাইতে আনন্দদায়ক গোসল প্রতিযোগিতা অর্থাৎ রাতে কে কার আগে গোসল করবে,এটা হল আমাদের পৃতৃিত্ব্য অধিকার,আর সে অনুসারে আমরা ও তা পালন করি,ছোট বেলায় ও ঈদের কয়েকদিন পূর্ব থেকে ঘর বানানো হতো ঈদের রাতে দলবদ্ধ হয়ে নদীতে গোসল করার পর জ্বালানোর জন্য, যদি ও এখন একটু ব্যাতিক্রম ঘর বানানো হয় না শুধু গোসল করা হয়।
আর এ প্রতা ও প্রায় গ্রামগঞ্জ থেকে চলে যাচ্ছে,কারণ যত দিন যাচ্ছে মানুষ মানুষের মন মস্তিকের পরিবর্তন হচ্ছে, কিন্তু মাদ্রাসার বোডিংয়ের ছাত্ররা এ প্রতা ধরেই রেখেছে,আর রাখবে অনন্তকাল আশাবাদি।
কারণ এখানে এক গ্রাম বা এক গঞ্জের ছেলে না শত গ্রাম গঞ্জ থেকে আগত ছালে রয়েছে।

ঈদের সকালের শুরু থেকে নিয়ে মোটামুটি সারাদিন চামড়া কালেকশন চলে।
ধরতে পারেন এটাও আমাদের একটা বড় ক্বোরবানি বড় ধরনের সেক্রিফাইস। বাড়িতে না গিয়ে এ কাজগুলা করা কতটা আনন্দ দায়ক তারাই বুঝবে যারা আমার মত কয়েক বছর একাজ করার পর আজ না করে কতটা পিড়া দায়ক।

অবশেষে কাজ শেষে যখন বাড়িতে যাওয়ার সময় হয় তখন যে কতটা আনন্দায়ক মুহুর্ত সত্যিই আমি তা বুঝাতে অক্ষম। এটাই হল প্রকৃত ঈদের খুশি প্রকৃত ঈদ।

প্রিয় পাঠক:
মনে প্রশ্ন জাগতে পারে নিজ ফ্যামেলি মা বাবা ভাই বোন আত্মিয় সজন ছেড়ে আবার কিসের ঈদের আনন্দ?
জ্বি আপনার প্রশ্ন যথার্থ তার উত্তর হল মা বাবার ভালবাসা আমাদের পৃতৃিতুল্য উস্তাদরা তাদের স্নেহ ভালবাসা দ্বারা ভুলিয়ে দেন,আর ভাই বোনদের ভালবাসা, আমাদের মধ্যেই রয়েছেন শত শত ভাই যাদের ভালবাসা পেয়ে শুধু মুগ্ধ নয় আমরা অবাক ও হই যে নিজের ভাই নয় তবু ও এতো ভালবাসা, এটাই আমাদের উস্তাদদের দেয়া শিক্ষা এটাই আমাদের সভ্যতা এটাই আমাদের উত্তম নৈতিকতার পরিচয়।

Monday, August 20, 2018

ছদরে এদারা আল্লামা হুসাইন আহমদ বারোকুটী হুজুর (রঃ) এর সান্তিপুর্ণ জানাজাই প্রমাণ করে উনি হক্বের উপর অটল ছিলেন!
গতকাল ছাত্র জমিয়ত সিলেট মহানগরীর দোয়া মাহফিলে হাফিজ মাহমুদূর রহমান!
গরীবের ঈদ+ঈমানী পরিক্ষা.............
***ইকরামুল হক জাবের

কাঁদিস নে বাপু এখনো তো ঈদের ১ দিন বাকি আগামীকালই তর বাবা তর জন্য ঈদের জামা কিনে দিবেন রাইসার (৮) চোখ মুছে মুছে বল্লেন তাঁর মা, রাইসা ও একটু স্হীর সুরে বলল আমার জুতো ও লাগবে। হ্যা এটাও দিবেন,জাহানারা রাইসা কে বুকের ভিতর জড়িয়ে ধরে মনে মনে ভাবছেন, যেখানে প্রতিনিয়ত যা রুজি তা তো প্রতিদিনই শেষ হয়ে যায়, ঐখানে ওর বাবা কি ভাবে এত টাকা দিয়ে পোষাক কিনবেন, এদিকে রাসেল ও বাড়িতে আসবে মাদ্রাসা মনে হয় আজই বন্ধ হবে সে ও তো মনে মনে ভাবছে রমজানের ঈদে যখন ঈদের পোষাক পাইনি এবার হয়তো পাবো! কিন্তু এখন ও তো ওর বাবার পেকেট একদম খালি।কি করবো বুঝতেই পারছিনা।
নিশ্চুপ জাহানারা সাংসারিক চিন্তায় মগ্ন,এদিকে কেঁদে কেঁদে রাইসা ঘুমিয়ে পড়েছে মায়ের কোলে।

রাত প্রায় ১০ টা দরজায় কে যেন টুকা দিচ্ছেন, কোন কথা নেই জাহানারা তো প্রায় ভয় পেয়ে গেলেন, শংক্মিত কন্ঠে বললেন কে?দরজার ঐপার্শ থেকে বললেন আমি........জাহানারার বুঝতে পারলেন রাইসার বাবা এসেছেন।

তাই দেরি না করে দরজা খুলেই সালাম দিলেন,ওয়ালাইকুম.....বলে ঘরে প্রবেশ করলেন রহিম মিয়া,

রহিম মিয়া একজন সাধারন  মানুষ দাওয়াতে তাবলিগের মেহনতের ফলে পাঁচ ওয়াক্ত নামায সহ দ্বীনের সকল বিধিবিধান মেনে চলেন,দেখতে মুখ বর্তি দাড়ি রাসূলের সুন্নাত গায়ে বলতে গেলে একজন আল্লাহ ভিরু ও রাসুল প্রেমিক মোট কথা সন্দেহ নেই উনি একজন মুত্তাকি ঈমানদার মানুষ, প্রতিনিয়ত যা রোজগার করেন তা দিয়েই আলহামদুলিল্লাহ।

জাহানারা বল্লেন খাবার রেডি চলুন খেয়ে নেই রহিম মিয়া বল্লেন তুমি এখনো খাওনি? জ্বি না আপনার জন্য অপেক্ষা করছি আমি কি কখনো আপনাকে ছাড়া রাতের খাবার খাই একটু মুচকি হেঁসে বললেন জাহানারা,রাইসা কি খেয়ে ঘুমিয়েছে? জ্বি, আপদত ওর কান্নার কথা বললেন না জাহানারা, খাবার খেয়ে খেয়ে জিঙ্গাসা করলেন অনেক রাত হয়েছে এরকম তো বাহিরে থাকেন না, আজ ফিরতে এত দেরি হল, কোন সমস্যা তাও আবার আপনার চেহারা মলিন দেখাচ্ছে, আরে না দু দিন পরেই তো ঈদ খরচাপাতি লাগবে বাচ্ছাদের কাপড় চোপড়, আর তোমাকে তো সেই বিয়ের পর থেকে কিছুই দিতে পারছি না,তাই একটু চিন্তিত..........................

আমি কি কখনো আবদার করেছি আপনার কাছে?,আপনার মত একজন জীবন সঙ্গীনি যাঁদের আছে তাদের আর কোন কিছুর প্রয়োজন পড়ে না।
কি যে বল জাহানারা!

আর টাকা পয়সার কোন চিন্তা করবেন না আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন উনি একটা ফয়সালা করবেন,
তোমার মত একজন রমনী যারা স্ত্রী হিসাবে পেয়েছে তারা বড়ই ভাগ্যবান,জাহানারা কিছুটা লজ্জাবোধ করলেন এবং কথার ফাঁক দিয়ে জিঙ্গাসা করলেন
 রাসেল কি ফোন করেছিল?হ্যা করছিল বলল আগামীকাল আসবে,ওর শরীর ঠিক আছেতো, হ্যা,

এতক্ষনে খাবার  শেষ হাত ধোত করেই টেবিল থেকে উঠলেন রহিম মিয়া।

এবং জিবনের ভিবিন্ন দিক সহ ছেলে মেয়ের ভবিষ্যত নিয়ে ভাবতে ভাবতে বিছানায় গড়া গড়ি করে ঘুমিয়ে গেলেন তিনি ,

অতপর প্রতিদিনের ন্যায় তাহজ্জুদের সময় জাগ্রত হলেন সাথে জাহানারা বেগম ও ওযু করলেন তাহাজ্জুদের সালাত এক সাথেই আদায় করে মালিকের দরবারে এক সাথে হাত উঠালেন, ওহে বিশ্ব প্রতিপালক তুমি তো সবই জানো তুমি তোমার বান্দাহ কে মদদ কর ইত্যাদি ইত্যাদি।

ফজর নামাজ পর নাস্তা করেই বাহির হয়েলেন রহিম মিয়া কাজের খুজে,যেখানে কাজ করতেন সেখানে আজ কাজ নেই,সকাল প্রায় ১০ টা  কি করবেন রাস্তা পাশ দিয়ে হেটে হেটে ভাবছেন,রাস্তার পাশে চায়ের দোকান থেকে পারভেজ মিয়া ডাক দিলেন রহিম মিয়া এদিকে আসো, বড় চিন্তিত মনে হচ্ছে,কি ব্যাপার কোন সমস্যা, রহিম মিয়া বললেন ইয়ে মানে.........ইয়ে মানে কি সেটা বল, আসলে ঈদের দুদিন বাকি,খরচাপাতি ঘরে নেই এদিকে ঈদ বলে কথা বাচ্ছাদের পোষাক লাগবে।

 অহ এ কথা এদিকে আসো পারভেজ মিয়া রহিমের কানে কানে কি যেন বললেন,
সাথে সাথে রহিম মিয়া রাগান্বিত কন্ঠে বললেন, না কখনো না,না খেয়ে মরবো তবুও হারাম টাকা উপার্জন করবো না, আরে রাগছেন কেন? এসব একটু একটু করলে আল্লাহ মাফ করবেন, জ্ঞান দিবেন না পারভেজ মিয়া শরীরে যতক্ষণ রক্ত থাকবে খেটে খাবো হারাম ভাবে টাকা উপার্জন করবো না,তকদিরে যা আছে তাই ঘটবে বলে চলে গেলেন রহিম মিয়া............................

এরকম শত রহিমের উপর পরিক্ষা নেয়ার পর আল্লাহ ঠিকই রহম করেন দুনিয়াতে ও পুরুষ্কার দেন আখেরাতে ও।

আল্লাহর নেক বান্দারা এরকমই বিপদে পড়লে ও এমন কাজ করেন না যে কাজে আল্লাহ অসুন্তুষ্ট, আল্লাহ নারাজ থাকেন।

সমাজে  শত লোক রয়েছেন যারা শয়তানের ধোকায় শিকার হয়ে একটুতেই নিজ ঈমান নামক দৌলত নষ্ট করে ফেলেন, নষ্ট করে ফেলেন আখেরাতের মুক্তি লাভের পথ।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে শয়তানের ধোকা থেকে ঈমানী পরিক্ষায় উত্তির্ণ করুন,এবং দৌলতে ঈমান নিয়ে কবর পর্যন্ত যাওয়ার তাওফিক দান করুন।আমিন।

Sunday, August 19, 2018

২য় পর্ব নারী স্বাধীনতা বনাম ইসলাম

নারী স্বাধীনতা বনাম ইসলাম
=সুলতান আহমদ
২য় পর্ব ===== ======== =========
মানবাধিকার পরিস্থিতি তুলে ধরে বলা হয়,এ বছর ধর্ষনের ঘটনার সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনি এর ধরনে নিষ্টুরতা ও ভয়াবহতা লক্ষ করা গেছে শিশু কিংবা বৃদ্ধা কেউ রেহাই পায়নি এই পাশবিকতার হাত থেকে।ধর্ষন পরবর্তী হত্যার শিকার হয়েছে ৪৭জন নারী এবং ধর্ষনের পর আত্নহত্যা করেছে ১১জন নারী।(দৈনিক ইনকিলাব অনলাইন ১জানুয়ারী ২০১৮ইং)মহিলা পরিষদ বলছে,২০১৬সালে ধর্ষনের ঘটনা ঘটে ৭০৫টি।২০১৭সালে ১০মাসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৩৪টিতে।একইভাবে গণধর্ষন ১৩৯থেকে ১৯৩এবং ধর্ষনের পর হত্যার ঘটনা ৩১থেকে বেড়ে হয়েছে ৫২টি(প্রথম আলো অনলাইন ২৬নভেম্বর ২০১৭)আসলে এর সংখ্যা আরো বেশি হবে।বহু ঘটনা আছে,যা লোকচক্ষুর আড়ালে থেকে যায়।আক্রান্তরা নানা কারণে তা প্রকাশ করেনা বা করতে পারেনা।বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়শা খানম বলেন,দেশে যে,হারে ধর্ষন ও ধর্ষনের পর হত্যার ঘটনা ঘটছে তাতে আমি ভীষণ উদ্বিগ্ন ও দুঃখিত।(প্রথম আলো অনলাইন ২৯মার্চ ২০১৬)এ হচ্ছে বাংলাদেশের ধর্ষনের কাগজ-কলমের পরিসংখ্যান। যে দেশে সবেমাত্র আধুনিকতা ও উন্নয়নশীলতার তেলেসমাতি শুরু হয়েছে।
এই হচ্ছে নারী স্বাধীনতার পরিণাম। শুধু বাংলাদেশের আন্যান্য দেশে তো আরো শত গুণে বেশি।এর কারণ এক মাত্র ইসলামের পর্দার বিধান না মানা।নারী কুলের এ দুরবস্থা দূরীকরণে পবিত্র কোরআন উপহার দিয়েছে সত্য পথের সন্ধান।আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন।তোমরা (নারীরা)তোমাদের ঘরের মধ্যে অবস্থান করবে এবং অন্ধকার যুগের ন্যায় নিজেদেরকে পদর্শন করবেনা।(আহযাবঃ৩৩)এই আয়াতের অর্থ এ নয় যে,প্রয়োজনের সময়ও নারীরা ঘর থেকে বের না হয়ে সর্বদা ঘরে আবদ্ধ থাকতে হবে।বরং আয়াতটির উদ্দেশ্য হল নারীরা স্বাভাবিকভাবে ঘরেই থাকবে।আর জরুরি কাজে ঘর থেকে বের হবার সময় শরয়ী বিধান তথা পর্দা করে বের হবে। তা হলে উপরে বর্ণিত পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পাবে।
দেখুন ইসলামে নারীদেরকে কী অধিকার দেয়া হয় নাই।তাদেরকে সব ধরনের অধিকার দেয়া হয়েছে।তাদেরকে মিরাছেত অধিকার দেয়া হয়েছে।কিন্তু জাহেলিয়াতে তাদের সেই অধিকার ছিলনা।আরো কত কিছু।
কিন্তু পরিতাপের বিষয়, ইসলাম নারীদেরকে এত কিছু দেয়ার পরও তারা তা বুঝতে চায়না।তারা চায় নারী অধিকার। কিন্তু ইসলাম তাদের যে অধিকার দিয়েছে,পর্দার যে বিধান দিয়েছে।তা যদি তারা পালন করত,তাহলে আজ তাদের এ অবস্থা হতনা।তাই বলি এখনো সময় আছে নারীরা সতর্ক হও।পুরুষরা তাদের বুঝাও এবং এ সমস্ত পরিস্থিতি থেকে মা-বোনদের রক্ষা করতে সহায়তা করুন।আল্লাহ আমাদের মা-বোনদের সহীহ বুঝ দান করুন এবং এ থেকে হেফাজত করুন।

Saturday, August 18, 2018

নারী স্বাধীনতা বনাম ইসলাম

নারী স্বাধীনতা বনাম ইসলাম


সুলতান আহমদ

.
বর্তমান যুগে নারী স্বাধীনতা বলতে যা,বুঝা হয় তা হল নারীরা পর্দা ছেড়ে অবাদে চলা ফেরা করা।এবং বেগানা পুরুষকে নিয়ে চলা ফেরা করা।তাদের চাকরি করা ও সমঅধিকার ইত্যাদি বিভিন্নতার নামই হচ্ছে নারী স্বাধীনতা।
যেমনঃ পুরুষরা যা করবে নারীরাও তা করবে।পুরুষরা পার্কে যাবে নারীরাও যাবে।তারা বেপর্দায় চলা ফেরা করবে।
কিন্তু দুঃখের বিষয় হল বর্তমান প্রগতিবাদের চুয়ায় আমার মুসলিম মা-বোন ও এই নারী স্বাধীনতার পক্ষে সাফাই গায়।
তারা বলে ইসলামে নারী স্বাধীনতা নেই।ইসলাম নারীদের অধিকার দেয় নাই।
আসল কথা হল তারা ইসলামে নারীদের অধিকার সম্পর্কে অজ্ঞ।ইসলাম নারীর যে মর্যাদা দিয়েছে তা ইতিহাসে আর কোন ধর্ম দিতে পারেনি পারবেওনা।
আসুন আমরা জেনে নেই ইসলামের পুর্বে নারীরা কেমন ছিল আর ইসলামের পরে কেমন হল।
ইসলামের পুর্বেঃ নারীরা ছিল নির্যাতিত,নিপিড়িত।এমনকি সেই জাহেলিয়া যুগে নারীদেরকে জীবন্ত কবর দেয়া হত।তাদেরকে মানুষই মনে করা হতনা।
ইসলামের পরেঃপেয়ারে নবী মুহাম্মদ(সঃ)এসে সেই নির্যাতনকে দূরীভূত করেন।
তিনি এসে ফিরিয়ে দেন নারীদের অধিকার,ইজ্জত-সম্মান। তাদের এই ইজ্জত-সম্মানের মূলে রয়েছে ইসলামের পর্দার বিধান। নবী(সঃ)এসে নারীদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন পর্দা।আর এই পর্দার মাধ্যমেই নারীরা শ্রেষ্ঠ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হয়েছেন।
যারা বলেন ইসলাম নারীদের অধিকার দেয় নাই তাদেরকে বলব,পৃথিবীর কোন ধর্মে স্বামীর পক্ষ থেকে স্ত্রী মহর পায়।বরং অন্যান্য ধর্মে উল্টো স্ত্রীর কাছ থেকে যৌতুক নেয়া হয়।কিন্তু ইসলাম যৌতুককে সম্পুর্ণ হারাম করেছে।
বর্তমানে নারী স্বাধীনতার পরিণাম আমরা একটু জেনে নেই।বর্তমান নারীরা যেভাবে রূপ-লাবণ্য উন্মোচন ও দেহ পদর্শনে মাঠে নেমে পড়েছে,তা সেই বর্বর যুগকেও হার মানায়।তাদের শর্ট পোষাক,দেহ বিকাশ ও অশ্লীলতার প্রদর্শনী দেখে শয়তানও বুঝি লজ্জায় মাথা ঢাকে।তারই ফল স্বরূপ তারা রাস্তাঘাটে হয় লাঞ্ছিতা, ধর্ষিতা ও নির্যাতিতা।
তাদের এই স্বাধীনতার পরিণামের সংখ্যা আমরা একটু দেখে নেই।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের(আসক)প
রিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৭সালে ৮১৮জন নারী ধর্ষনের শিকার হয়েছে।ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটিতে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ২০১৭আসক এর পর্যবেক্ষণ বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।