Saturday, August 18, 2018

নারী স্বাধীনতা বনাম ইসলাম

নারী স্বাধীনতা বনাম ইসলাম


সুলতান আহমদ

.
বর্তমান যুগে নারী স্বাধীনতা বলতে যা,বুঝা হয় তা হল নারীরা পর্দা ছেড়ে অবাদে চলা ফেরা করা।এবং বেগানা পুরুষকে নিয়ে চলা ফেরা করা।তাদের চাকরি করা ও সমঅধিকার ইত্যাদি বিভিন্নতার নামই হচ্ছে নারী স্বাধীনতা।
যেমনঃ পুরুষরা যা করবে নারীরাও তা করবে।পুরুষরা পার্কে যাবে নারীরাও যাবে।তারা বেপর্দায় চলা ফেরা করবে।
কিন্তু দুঃখের বিষয় হল বর্তমান প্রগতিবাদের চুয়ায় আমার মুসলিম মা-বোন ও এই নারী স্বাধীনতার পক্ষে সাফাই গায়।
তারা বলে ইসলামে নারী স্বাধীনতা নেই।ইসলাম নারীদের অধিকার দেয় নাই।
আসল কথা হল তারা ইসলামে নারীদের অধিকার সম্পর্কে অজ্ঞ।ইসলাম নারীর যে মর্যাদা দিয়েছে তা ইতিহাসে আর কোন ধর্ম দিতে পারেনি পারবেওনা।
আসুন আমরা জেনে নেই ইসলামের পুর্বে নারীরা কেমন ছিল আর ইসলামের পরে কেমন হল।
ইসলামের পুর্বেঃ নারীরা ছিল নির্যাতিত,নিপিড়িত।এমনকি সেই জাহেলিয়া যুগে নারীদেরকে জীবন্ত কবর দেয়া হত।তাদেরকে মানুষই মনে করা হতনা।
ইসলামের পরেঃপেয়ারে নবী মুহাম্মদ(সঃ)এসে সেই নির্যাতনকে দূরীভূত করেন।
তিনি এসে ফিরিয়ে দেন নারীদের অধিকার,ইজ্জত-সম্মান। তাদের এই ইজ্জত-সম্মানের মূলে রয়েছে ইসলামের পর্দার বিধান। নবী(সঃ)এসে নারীদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন পর্দা।আর এই পর্দার মাধ্যমেই নারীরা শ্রেষ্ঠ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হয়েছেন।
যারা বলেন ইসলাম নারীদের অধিকার দেয় নাই তাদেরকে বলব,পৃথিবীর কোন ধর্মে স্বামীর পক্ষ থেকে স্ত্রী মহর পায়।বরং অন্যান্য ধর্মে উল্টো স্ত্রীর কাছ থেকে যৌতুক নেয়া হয়।কিন্তু ইসলাম যৌতুককে সম্পুর্ণ হারাম করেছে।
বর্তমানে নারী স্বাধীনতার পরিণাম আমরা একটু জেনে নেই।বর্তমান নারীরা যেভাবে রূপ-লাবণ্য উন্মোচন ও দেহ পদর্শনে মাঠে নেমে পড়েছে,তা সেই বর্বর যুগকেও হার মানায়।তাদের শর্ট পোষাক,দেহ বিকাশ ও অশ্লীলতার প্রদর্শনী দেখে শয়তানও বুঝি লজ্জায় মাথা ঢাকে।তারই ফল স্বরূপ তারা রাস্তাঘাটে হয় লাঞ্ছিতা, ধর্ষিতা ও নির্যাতিতা।
তাদের এই স্বাধীনতার পরিণামের সংখ্যা আমরা একটু দেখে নেই।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের(আসক)প
রিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৭সালে ৮১৮জন নারী ধর্ষনের শিকার হয়েছে।ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটিতে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ২০১৭আসক এর পর্যবেক্ষণ বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।

No comments:

Post a Comment